
শেষ আপডেট: 12 May 2019 03:41
জনা বিশেক মহিলা ঘিরে ধরেন ভারতীকে। স্পষ্ট বলতে থাকেন বুথ থেকে চলে যেতে। পাল্টা ভারতী বলতে গেলেই শুরু হয় বচসা। ধস্তাধস্তিতে মাটিতে পড়ে যান ভারতী। সামান্য আঘাতও লাগে একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এই আইপিএস-এর।
ওই বিক্ষোভের সময়েই এক মহিলাকে সংবাদ মাধ্যমের পক্ষ থেকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “আমরা বিজেপি-র এজেন্ট বসতে দুবুনি।” কেন? উত্তরে ওই মহিলা দাবি করেন, “যাকে বিজেপি এজেন্ট করে বসাতে এসেছিল, সে আগে সিপিএম ছিল। আমাদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়েছিল। ওকে আমরা বসতে দুবুনি।” মহিলাদের বিক্ষোভ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় কেন্দ্রীয়বাহিনীকেও। এরপর ছেলেরাও জড়ো হয়ে যান। স্লোগান দিতে শুরু করেন, ‘ভারতী ঘোষ গো ব্যাক।’ এজেন্ট-সহ ভারতীকে বুথের বাইরে নিয়ে চলে যায় পুলিশ।
এই গোটা ঘটনাটা ঘটে স্কুল চত্বরে। যাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, তাঁরা ভোটের লাইনেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ভারতীকে দেখেই তেড়ে আসেন তাঁরা। মহিলা পুলিশ না থাকায় বিপাকে পড়তে হয় কেন্দ্রীয়বাহিনীর জওয়ানদের। বুথের মধ্যে এমন ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। গোটা ঘটনায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।
অন্যদিকে একটি বুথে তৃণমূল ছাপ্পা ভোট দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে বিজেপি। সেখানে গিয়ে বুথে ঢুকে ভিডিয়োগ্রাফি করার অভিযোগ ওঠে ভারতীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় কমিশন ভারতীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে বলে খবর।