
শেষ আপডেট: 23 January 2020 11:20
হাওড়ার পিলখানা এলাকায় একটি বিশাল বস্তি রয়েছে, জনসংখ্যার বিচারে মুম্বইয়ের ধারাভির ঠিক পরেই এর স্থান হবে বলে অনেকে মনে করেন। পিলখানায় অধিকাংশ বাসিন্দাই সংখ্যালঘু মুসলমান, মূলত তাঁরাই এনআরসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ পথে নেমেছেন।
এলাকাটি ঘিঞ্জি হলেও ধর্নার জন্য সারা দিন তেমন কোনও সমস্যা হচ্ছে না। দিনের বেলায় মোটামুটি ২০ থেকে ৩০ জন মঞ্চে থাকছেন। তবে সামান্য হলেও সমস্যা বাড়ছে সন্ধ্যার পরে। সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত মঞ্চে থাকছেন মহিলারা। ঘরের কাজ শেষ করে সন্ধ্যার দিকে তাঁরা ধর্নায় বসছেন। সকালের দিকে থাকছেন মূলত পুরুষরা। যাতে এই অবস্থানের জন্য কোনও রকম অশান্তি না হয় সেদিকে নজর রাখার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, যতদিন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার সিএএ প্রত্যাহার করছে এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জির সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হঠছে ততদিন পর্যন্ত তাঁদের এই আন্দোলন চলবে। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সরকার দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসুক যাতে সমাধানসূত্র পাওয়া যায়।
ডিসেম্বর মাসে সংসদে দুই কক্ষে পাস হয়ে যায় নাগরিকত্ব (সংশোধন)। দেরি না করে তাতে সই করে দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই বিলকে আইনে পরিণত করে।
সংসদে এই বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। একাধিক অবিজেপি সরকার এই বিল কার্যকর করবে না বলে দিয়েছে যদিও কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কপিল সিবাল জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের এই আইন মানতে বাধ্য রাজ্য সরকার। এই আইনের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই সরব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।