
শেষ আপডেট: 26 May 2019 10:57
পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে এক বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, নারায়নগড়ের হাদলা হাটের উপরে তাদের দলের ওই কর্মীর দোকানে আরও চারজন দলীয় কর্মী দাঁড়িয়েছিলেন রবিবার সকালে। সেখানেই তাঁদের উপর চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। লাঠি, রড, বাঁশ বেধরক পেটানো হয় তাঁদের। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বাংলার শাসক দলের স্থানীয় এক নেতা বলেন, “বিজেপি-ই এই এলাকায় প্রথম হামলা করা শুরু করেছে। তাতে আমাদের এক কর্মী গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।” এই এলাকাতেই গত দু’দিন ধরে এক বিজেপি কর্মীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ ওই বিজেপি কর্মীর নাম যুগল দাস।
ভোটের পর যে বাংলায় গোলমাল হবে তা আগেই আন্দাজ করেছিলেন অনেকে। বিজেপি-র পক্ষ থেকে তো কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়, ভোটের পরও যেন বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দেওয়া হোক। এতে আপত্তি জানিয়েছিল তৃণমূল। শাসক দলের নেতারা বলেছিলেন, বাংলা কি কাশমীর নাকি, যে ভোটের পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দিতে হবে! তবে ভোটের পর থেকে যে যে ঘটনা ঘটছে তা থেকে এটা পরিষ্কার, যা আশঙ্কা করা হচ্ছিল, তা একেবারে অমূলক নয়।