রাতভর থানায় রেখে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিজেপি নেতাদের ইসলামপুর আদালতে তুলল পুলিশ
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর: রায়গঞ্জ শহরে বিজেপির ধর্না কর্মসূচি ঘিরে বুধবার ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে গিয়েছিল। গ্রেফতার করা হয়েছিল রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ পাঁচ বিজেপি কর্মীকে। অনেকেই শুরুতে ভেবেছিলেন রাজুদের বোধহয় সন্ধের পর ছেড়ে দেবে পুলিশ।
শেষ আপডেট: 23 July 2020 08:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর: রায়গঞ্জ শহরে বিজেপির ধর্না কর্মসূচি ঘিরে বুধবার ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে গিয়েছিল। গ্রেফতার করা হয়েছিল রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ পাঁচ বিজেপি কর্মীকে। অনেকেই শুরুতে ভেবেছিলেন রাজুদের বোধহয় সন্ধের পর ছেড়ে দেবে পুলিশ। কিন্তু তা হয়নি। বরং গ্রেফতার দেখিয়ে রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি রাজু-সহ পাঁচ বিজেপি নেতাকর্মীকে বৃহস্পতিবার ইসলামপুর আদালতে তুলল পুলিশ।
চোপড়াকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে। মনে করা হচ্ছে সেই মামলাতেই গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। যদিও উত্তর দিনাজপুর জেলা পুলিশ স্পষ্ট করে বলেনি কোন মামলায় রাজুদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার বিজেপির ধর্না কর্মসূচি ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় রায়গঞ্জ শহরে। কোভিড বিধি দেখিয়ে ধর্নামঞ্চ খুলে দেয় পুলিশ। তারপর রাজ্য বিজেপির অন্যতম নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় রায়গঞ্জে যেতেই পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসা হয়। এর পর রাজু-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করে।

ঘটনাস্থলে রাজু পৌঁছতেই উত্তেজনা বাড়ে। বিজেপি নেতাকে পুলিশ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কোভিড বিধির মধ্যে মঞ্চ বেঁধে, রাস্তায় বসে এসব করা যাবে না। পুলিশ অফিসারদের উদ্দেশে রাজু পাল্টা প্রশ্ন করেন, ২১ জুলাইয়ের ভার্চুয়াল মিটিং কী ভাবে রাস্তায় মঞ্চ বেঁধে দেখানো হল? তার বেলা আইন কোথায় ছিল? জবাবে পুলিশ অফিসারকে বলতে শোনা যায়, সেই কৈফিয়ত আপনাকে দেব না। পাল্টা কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে পুলিশকে রাজু বলেন, এখন কৈফিয়ত না দিলেও ছ’মাস পর আমাদেরই দিতে হবে। তখন কোনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাকে বাঁচাবে না।
চোপড়া কাণ্ড নিয়ে তুলকালাম ঘটনা ঘটেছে। কিশোরীর দেহ উদ্ধারের পরের দিন বাস, পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় ক্ষুব্ধ জনতা। তা নিয়ে গতকাল একুশে জুলাইয়ের সভাতেও বিজেপির বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “কিছু লোকের কোনও কাজ নেই, শুধু রাস্তায় বসে পড়ছে।”
এখন দেখার আদালত রাজুদের জামিন দেয় কিনা।