দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাশের জেলা হাওড়া করোনার নিরিখে রেড জোন। মদের দোকান খুলতেই সেখান থেকেও লোক আসছেন হুগলির চণ্ডীতলায়। স্বভাবতই করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় এলাকার লোকজন পুলিশের কাছে গিয়ে গণস্বাক্ষর করা স্মারকলিপি জমা দেন। তার জেরেই মদের দোকানে তালা লাগিয়ে দেয় পুলিশ।
চণ্ডীতলার গঙ্গাধরপুরে মদের দোকানে ভিড় জমাচ্ছিলেন হাওড়ার ডোমজুড় এবং হুগলির ডানকুনি, উত্তরপাড়া ও শ্রীরামপুরের লোকজন। তাই গঙ্গাধরপুরের পঞ্চায়েত প্রধান কাবেরী দাসের কাছে তাঁদের আপত্তির কথা লিখিত ভাবে জানাতে গিয়েছিলেন বাসিন্দারা। পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ রয়েছে বলে প্রধান তাঁদের অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেছেন। চণ্ডীতলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মলয় খাঁ বলেন, “পঞ্চায়েত খোলা আছে। প্রধানের কাছে ওঁরা গিয়েছিলেন। তিনি জানা মাত্রই বিষয়টি থানায় জানান। আজ সকালেও তিনি পুলিশে ফোন করেছিলেন। তবে পঞ্চায়েত এব্যাপারে অনুমতি দেয়নি আর তারা এটা বন্ধের নির্দেশও দিতে পারবে না।”
মদের দোকান খুললে বৃহস্পতিবারও মদ কিনতে বহিরাগতরা জড় হন। স্থানীয় বাাসিন্দাদের সঙ্গে তাঁদের বচসা শুরু হয়। খবর পেয়ে চণ্ডীতলা থানার পুলিশ হাজির হয়, আসেন আবগারি দফতরের আধিকারিকরাও। পুলিশের সামনে চলে বিক্ষোভ। পরে বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে মদের দোকান বন্ধ করে দেন আবগারি দফতরের আধিকারিকরা।
চণ্ডীতলা থানার পুলিশ জানিয়েছে আশপাশে কন্টেনমেন্ট জোন থাকায় লোকে এখানে আসছে মদ কিনতে। এত ভিড় হচ্ছে যে সামলানো যাচ্ছে না। তাই আবগারি দফতরের সঙ্গে কথা বলে দোকান আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
চণ্ডীতলা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মলয় খাঁ বলেন, “পঞ্চায়েত খোলা আছে। প্রধানের কাছে ওঁরা গিয়েছিলেন। তিনি জানা মাত্রই থানায় জানান। আজ সকালেও তিনি পুলিশে ফোন করেছিলেন। তবে পঞ্চায়েত এটার অনুমতিও দেয়নি আর এটা বন্ধও করতে পারবে না।”