
শেষ আপডেট: 28 April 2020 13:32
খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় ব়্যাফ। প্রথমে ব়্যাফকে ঘিরে ধরে জনতা ও পরে তাড়া করে। চলে আসে হাওড়া থানা ও ব্যাঁটরা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকা ফাঁকা করে দেওয়া হয়। এখন এলাকায় পুলিশের টহল চলছে। এলাকায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে।
রাজ্যের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, “এই ঘটনা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়। অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। স্বাস্থ্যকর্মীরা যেমন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন পুলিশ কর্মীরাও তেমনি পুলিশকর্মীরাও তাঁদের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবার ছেড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একদিকে তাঁরা চেষ্টা করছেন মানুষের পাশে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেখতে, কাউকে সাহায্য ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে। কার খাবার নেই কার ওষুধ নেই এসবের ব্যবস্থা করছে। আরেক দিকে যাতে করোনার সংক্রমণ থেকে মানুষকে রক্ষা করা যায় তার জন্য তাঁরা নিরলস পরিশ্রম করছেন কারণ মানুষ লকডাউন যাতে না ভাঙেন সেটা বুঝিয়ে মানুষকে সচেতন করছেন। চেষ্টা করছেন করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে। আর এটা করতে গিয়ে যদি পুলিশকে এই ভাবে আক্রান্ত হতে হয় নিশ্চিত ভাবে এর চেয়ে ঘৃণার কিছু হতে পারে না। আমি বলছি যে এটা ঘৃণার যোগ্য কাজ হয়েছে। প্রশাসনকে বলেছি কঠোর ভাবে এটা দেখার জন্য। যেখানে যা ব্যবস্থা নেওয়ার উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক। এই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য আমরাও দলীয় ভাবে দেখব এবং সেখান কার মানুষের সঙ্গে কথা বলে দেখব যে কেন এটা হয়েছে। এটা সমর্থনযোগ্য নয় এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি বলেন, “আমি শুনেছি যে লকডাউনের সময় সম্ভবত প্রচুর মানুষ বেরিয়ে এসেছিলেন। পুলিশকর্মীরা তাঁদের সরানোর চেষ্টা করেছিলেন। তারপরে কোনও ঘটনার সূত্রপাত হয় এবং সেখান থেকেই লোকে তেড়ে আসে। কী হয়েছে না হয়েছে জানতে আমি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গেও কথা বলেছি। তাঁকে উপযুক্ত তদন্ত করার কথা বলা হয়েছে।”