দ্য ওয়াল ব্যুরো: গণপিটুনির মৃত্যুর নামে খুনের কিনারা করল পুলিশ। নিহত আশরাফ গাজির মা জাহানারা বিবির অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই পুলিশ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। হিঙ্গলগঞ্জ থানায় তিনি অভিযোগ করেন যে, রফিক গাজি ও তরিকুল গাজি নামে দুই ব্যক্তি পরিকল্পনা করেই খুন করেছে তাঁর ছেলেকে।
ধৃতদের বিরুদ্ধে আরও দুই গ্রামবাসীকে গাছে বেঁধে মারধর করার অভিযোগও রয়েছে। আজ শনিবার ভোরে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে যে জেরায় তারা খুনের কথা পাশাপাশি ধৃত দুই দুষ্কৃতী কে আজ শনিবার বসিরহাট মহকুমা স্বীকার করেছে।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার হিঙ্গলগঞ্জ থানা এলাকার স্যান্ডেল বিলগ্রামের উপপ্রধানের নাম জয়নাল আবেদিন গাজি। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, স্যান্ডেল বিলগ্রামের ভেটকিয়ায় আজ শুক্রবার সকাল আটটা নাগাদ তিনি ত্রাণ বণ্টন করার জন্য বাড়ি থেকে বেরোন। সেই সময় মোটরসাইকেলে চেপে দুই সশস্ত্র দুষ্কৃতী তাঁর ওপর হামলা করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায়। চলে গণধোলাই। তাদের মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করেন গ্রামবাসীরা। হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে দুই অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বাস্তবে দেখা যায় যে তিন জনকে গণপ্রহার করা হয়েছে। আক্রান্তদের বাড়ির লোকজন তখনই অভিযোগ করেন যে, আবেদিন গাজি ও তার দলবল পরিকল্পিত ভাবে বাড়িতে ডেকে এনে সৈয়দ গাজি নামে একজনকে বেধড়ক মারধর করে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকি দু’জন নুরুল ইসলাম সরদার ও আশরাফ গাজিকে গাছে বেঁধে রেখে মারধর করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থাতেই তাঁদের তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। পরে আশরাফ গাজির মৃত্যু হয়।