দ্য ওয়াল ব্যুরো: সিবিআই ডিরেক্টর নির্বাচনের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে গিয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। আলাদা করে প্রধানমন্ত্রীকে বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ আবেদন জানিয়েছিলেন, ডিআরডিও-কে দিয়ে বহরমপুরে ৫০০ বেডের কোভিড হাসপাতাল নির্মাণের জন্য।
অধীর চৌধুরীর সেই আবেদনে সেদিনই ইতিবাচক সাড়া দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি এও জানিয়েছিলেন ৫০০ নয়, ১০০০ বেডের হাসপাতাল তৈরি হবে বহরমপুরে। কিন্তু পরে ডিআরডিও গ্রুপ ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল পরিদর্শনে যায় বহরমপুর হাসপাতালে। সেইসময় প্রশাসন জানায়, হাজার বেডের কোভিড হাসপাতাল তৈরির মতো জায়গা তাদের নেই। খুব বেশি হলে আড়াইশ বেড করা যেতে পারে। তারপর ডিআরডিও সিদ্ধান্ত নেয় বহরমপুরে ২৫০ বেড হলে আরও ২৫০ বেড কল্যাণীতে করা যেতে পারে।
সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে ডিআরডিও। কল্যাণীতে ২৫০ বেডের হাসপাতালে নদীয়া লাগোয়া বেলডাঙা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ পরিষেবা পাবেন।
মুর্শিদাবাদে কোভিড চিকিৎসার তথৈবচ দশার ধরেই বলছেন বহরমপুরের সাংসদ। জঙ্গিপুরের হাসপাতালে দেখা গিয়েছিল, রোগীরা ন্যাসাল সোয়াব দিয়ে নিজেরাই নমুনা সংগ্রহ করছেন। সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। এহেন পরিস্থিতিতে মুর্শিদাবাদে প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিআরডিও-কে দিয়ে একটি কোভিড হাসপাতাল তৈরির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন অধীর চৌধুরী। কারণ, ডিআরডিও দিল্লিতে এ ধরনের হাসপাতাল ইতিমধ্যেই বানিয়েছে। অসমের শিলচরেও এই হাসপাতাল বানাচ্ছে ডিআরডিও।