লকডাউনের ফলে রোজগার বন্ধ, ক্যামেরা ছেড়ে মাছ বিক্রি করছেন ফোটোগ্রাফাররা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্টুডিওয় গিয়ে পারিবারিক ছবি তোলার রেওয়াজ কবেই শেষ হয়ে গেছে। কোনও রকমে পাসপোর্ট ছবি তুলে খুব কষ্টেই চলছিল সংসার। কেউ আবার স্টুডিও চালানোর পাশাপাশি বিয়ের ভিডিও ফোটোগ্রাফি করে সংসার চালাচ্ছিলেন। লকডাউনের জেরে সব বন্ধ। তাতেই বি
শেষ আপডেট: 9 April 2020 17:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্টুডিওয় গিয়ে পারিবারিক ছবি তোলার রেওয়াজ কবেই শেষ হয়ে গেছে। কোনও রকমে পাসপোর্ট ছবি তুলে খুব কষ্টেই চলছিল সংসার। কেউ আবার স্টুডিও চালানোর পাশাপাশি বিয়ের ভিডিও ফোটোগ্রাফি করে সংসার চালাচ্ছিলেন। লকডাউনের জেরে সব বন্ধ। তাতেই বিপদে পড়েছেন জলপাইগুড়ির চিত্রগ্রাহকরা। কাজ নেই হাতে। সংসারে অনটন।
এই অবস্থায় স্রেফ পেটের দায়েই পেশা বদল করতে বাধ্য হয়েছেন জলপাইগুড়ির স্টুডিওর ফোটোগ্রাফাররা। পাড়ার মোড়ে এখন তাঁরা বসছেন মাছ বিক্রি করতে। সকালের দিকে কয়েক ঘণ্টা এই কাজ করছেন পেট চালানোর জন্য। কয়েকজন ফোটোগ্রাফার এক জোট হয়েই এই কাজ করছেন।
একটি স্টুডিওর মালিক শঙ্কর দাস এদিন বলেন, “খুব খারাপ অবস্থা। বাজারে গেলে পুলিশের শাসানি। তার উপরে দোকান বন্ধ। বাধ্য হয়েই কয়েকজন ফোটোগ্রাফার বন্ধু মিলে বাঁচার তাগিদে মাছের দোকান শুরু করলাম।” জলপাইগুড়ির বাসিন্দা কাননবালা দাস ও রাজা ঘোষ বলেন, “এঁরা আমাদের শহরের স্টুডিও মালিক। দোকান বন্ধ তাই বাধ্য হয়ে মাছ বিক্রি করছেন। কেউ আবার টোটো রিকশা করে সবজিও বিক্রি করছেন।"

যাঁরা টোটো গাড়ি চালিয়ে সংসার সামলাচ্ছিলেন এখন তাঁরাও সঙ্কটে। লকডাউনের ফলে টোটোও বন্ধ তাই সেই গাড়িতে সবজি নিয়ে ফেরি করছেন জলপাইগুড়ি শহরের টোটো চালকদের একাংশ।
ঠাকুরচন্দ্র দাস নামে এক টোটোচালক বললেন, “আমি আমার নিজের টোটো রিকশা চালাতাম কিন্তু লক ডাউনে টোটো নিয়ে বের হলে পুলিশের ধাওয়া খেতে হচ্ছে। তাই বাঁচার তাগিদে সব্জি বিক্রি করছি।” এখন তাঁরা চাইছেন হয় লকডাউন উঠুন না হয় সরকার তাঁদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করুক।