
শেষ আপডেট: 4 July 2019 08:35
ইসকনের রীতি অনুযায়ী রথযাত্রা শুরুর আগে আরতি হয়। নারকেলের ডগায় আগুন জ্বালিয়ে দেবতার উদ্দেশে আরতি করেন সেবায়েত এবং অতিথিরা। সেখানেই দেখা গেল এক পাশে স্বামী নিখিল জৈন এবং আর এক পাশে অভিনেতা সোহমকে নিয়ে আরতি করলেন নুসরত। তারপর সবার টেকনিক দেখে নিয়ে নারকেলও ফাটালেন। এই পর্বের পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা যায় হাতে একটি ঘট নিয়ে তাতে আমপল্লব ডুবিয়ে শান্তির জল ছেটাচ্ছেন।
এ দিনও নুসরতের সাজ ছিল দেখার মতো। হাত ভর্তি চুড়ি। বিয়ের সময়ে পরা মেহেন্দি এখনও বেশ গাঢ়। সেই সঙ্গে গোলাপি পাড়ের হলদেটে সবুজ রঙের শাড়ি, গলায় মঙ্গল সূত্র এবং সিঁথি ভরা সিঁদুর।
অনুষ্ঠান শুরুর আগে বক্তৃতা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করেন, বহু বছর ধরে ইসকন নগরী তৈরির জন্য জমি জট চলছিল। রাজ্য সরকার সেই জট কাটিয়ে দিয়েছে। নবদ্বীপ এবং মায়াপুরকে ঢেলে সাজা হচ্ছে বলেও দাবি করেন মমতা। এ দিনের বক্তৃতা শেষেও জয় জগন্নাথ বলার পাশাপাশি জয় বাংলা ধ্বনি তোলেন মমতা।
https://twitter.com/ANI/status/1146678068603424768
ইসকনের রথের রশিতে টান দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী যাবেন হুগলির মাহেশে। এ বার ৬২৩ বছরে পড়ল মাহেশের রথ। পুরীর পর মাহেশই দেশের সবচেয়ে প্রাচীন রথ। আগে কখনও মমতা যাননি এই অনুষ্ঠানে। এ বারই প্রথম সেখানে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। হেলিকপ্টারে যাওয়ার কথা তাঁর।
অন্য দিকে বিজেপি নেতারাও রথের ময়দানে নেমেছেন। উত্তর কলকাতার শিল্পী সংসদের রথযাত্রার উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায় এবং অরবিন্দ মেনন। রাজ্য বিজেপি-র অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু সল্টলেকের একটি রথযাত্রার সূচনা করেন।