দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক রেড, অরেঞ্জ ও গ্রিন জোনের সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে রেড জোনের জেলার সংখ্যা ৪ থেকে একলাফে বেড়ে হয়েছে ১০। ওই তালিকা অনুযায়ী রাজ্যে অরেঞ্জ জোনের জেলা ৫টি এবং গ্রিন জোনের জেলার সংখ্যা ৮টি। যদিও পর্যবেক্ষকদের অনেকের বক্তব্য, এই তালিকা কেন্দ্রের তরফে প্রকাশ করার পর বৃহস্পতিবার রাতে এবং শুক্রবার সকালে গ্রিন জোনে থাকা দুই জেলা আলিপুরদুয়ার এবং বীরভূমে সংক্রমিতের হদিশ মিলেছে। ফলে গ্রিন জোনের সংখ্যা ৮ থেকে কমে ৬ হতে পারে এবং অরেঞ্জ জোন বেড়ে ৫ থেকে হতে পারে ৭।
কেন্দ্রের আগের তালিকায় কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর ছিল রেড জোন। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মালদহ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং। কেন্দ্রের তালিকা অনুযায়ী গ্রিন জোনে রয়েছে ৮টি জেলা। সেগুলি হল, আলিপুরদুয়ার, বীরভূম, কোচবিহার, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর। হুগলি, দুই বর্ধমান, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ রয়েছে অরেঞ্জ জোনে।
প্রসঙ্গত, দু'দিন আগেও মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পং নিয়ে আশা প্রকাশ করে বলেছিলেন, এই দুই জেলা অরেঞ্জ জোন থেকে গ্রিন জোনে চলে আসবে। কারণ ৪ এপ্রিল থেকে এই দুই জেলায় পজিটিভ কেস ছিল না। কিন্ত নতুন করে সংক্রমণের ঘটনা ফের রেড জোনে ঠেলে দিয়েছে উত্তরবঙ্গের এই দুই জেলাকে।
যদিও কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে রেড জোনের সংখ্যা গত ১৫ দিনে ২৩ শতাংশ কমেছে। ১৫ এপ্রিল ভারতে রেড জোনে ছিল ১৭০টি জেলা। ৩০ এপ্রিল তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৩০টিতে।
কেন্দ্রের তরফে স্বাস্থ্যসচিব প্রীতি সুদান ওই তালিকা দিয়ে নির্দিষ্ট জোনে নির্দিষ্ট বিধি মানার নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন রাজ্যগুলিকে। তাতে বলা হয়েছে রেড জোন এবং বিশেষ করে কন্টেইনমেন্ট জোনে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করতে হবে। কন্টেইনমেন্ট জোনে সংক্রামিতদের সংস্পর্শে আসা লোকজনকে চিহ্নিত করে আলাদা করার কাজে জোর দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের নির্দেশিকায়।