শেষ আপডেট: 6 November 2020 15:21
রেলের তরফে পাঠানো এই চিঠিতে আরও লেখা রয়েছে, হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশন থেকে যাত্রীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ বিষয়ে রাজ্য নজর দেবে। শুধু তাই নয়, অফিস টাইমে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য রেলকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতিও রাজ্য দিয়েছে এমনটাই জানিয়েছে রেল। অবশ্য বিধি কার্যকর হওয়া ও সুরক্ষা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে আগামী সোমবার ফের নবান্নে বৈঠকে বসবেন রেল ও রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা।
গত কয়েক দিন ধরেই দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে রেল ও রাজ্য সরকারের। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "রেলকে আমরা আগেই বলেছি লোকাল ট্রেন বেশি চালাবেন। তাতে ভিড় কম হবে। তবে হ্যাঁ কোভিড প্রটোকল মেনেই চালাতে হবে।"
বুধবার মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ট্রেন চললেও যাত্রীসংখ্যা অর্ধেক করে দেওয়া হবে। এখন একটা ট্রেনে ১২০০ জন যাত্রী বসে যেতে পারেন। কোভিড বিধি মেনে এই সংখ্যাই ৬০০ জনে নামিয়ে আনা হবে। ট্রেনে উঠলে মাস্ক, স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক করা হবে।
কিন্তু এই পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত করা যাবে তা নিয়ে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করছেন। তাঁদের মতে, যখন ১০০ শতাংশ ট্রেন চলত এবং ট্রেনযাত্রীরা তাতে চাপতেন তখনই অফিসটাইমে বাদুড় ঝোলা অবস্থা হতো। ট্রেনের সংখ্যা কমালে বিপত্তি আরও বাড়তে পারে। এই সমস্যা যাতে কিছুটা কমে, সেই জন্যই এবার ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল রেল।