দ্য ওয়াল ব্যুরো: অন্তঃসত্ত্বা এক মহিলাকে পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠল বসিরহাট মহকুমার হাসনাবাদ থানার হাবাসপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মিজানুর গাজির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সেলাই কারখানায় মজুরি বাবদ ওই ব্যবসায়ীর কাছে বারো হাজার টাকা চাইতে গেলে এক পাওনাদারকে কারখানায় আটকে রেখে মারধর করা হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে আক্রান্ত হন এক দম্পতি।
ঘটনার সূত্রপাত গতকাল রবিবার সন্ধ্যাবেলা। মিজানুর গাজির সেলাই কারখানায় দর্জির কাজ করেন আব্বাস গাজি নামে এক ব্যক্তি। মজুরি বাবদ তিনি টাকা চাইতে গেলে কারখানার মধ্যে তাঁকে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁকে বাঁচাতে যান সম্পর্কে বৌদি তথা সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হালিমা বিবি। তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। হালিমা বিবিকে বেধড়ক মারধর করে পেটে লাথি মারে তাঁরই আত্মীয় তুহিনা বিবি। অন্তঃসত্ত্বার স্বামী রাজু সর্দার তাঁকে বাঁচাতে যান। তখন লোহার রড দিয়ে মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়।
অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে পেটের যন্ত্রণা নিয়ে টাকি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর স্বামীও ওই হাসপাতালেই ভর্তি। এই ঘটনার সর্দার পরিবারে মোট পাঁচ জন আহত হয়েছেন।
এই ঘটনা কি শুধু পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে আক্রান্ত হওযা নাকি প্রতিবেশীদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিবাদ, নাকি পুরনো শত্রুতা বা রাজনৈতিক কোনও কারণ – তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
মূল অভিযুক্ত বস্ত্র ব্যবসায়ী মিজানুর গাজি, মোজাফফর গাজি ও ডালিয়া বিবি-সহ ছ’জনের বিরুদ্ধে হাসনাবাদ থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।