‘লিঙ্ক ফেলিওর’ কার্যত রুটিন, বারাসত নবপল্লি ডাকঘরে গ্রাহক-ভোগান্তি চরমে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুর্ভোগ আর ভোগান্তি এখন নিত্যসঙ্গী বারাসত নবপল্লি উপ-ডাকঘরের গ্রাহকদের। ইন্টারনেটের লিঙ্ক না থাকার জন্যই এই অবস্থা বলে ডাকঘরের তরফে জানানো হয়েছে। ডাকঘরের কর্মীদের বক্তব্য, বিএসএনএলের কানেকশন নাকি থাকছেই না।
ইন্টারনেট পরিষে
শেষ আপডেট: 19 February 2020 12:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুর্ভোগ আর ভোগান্তি এখন নিত্যসঙ্গী বারাসত নবপল্লি উপ-ডাকঘরের গ্রাহকদের। ইন্টারনেটের লিঙ্ক না থাকার জন্যই এই অবস্থা বলে ডাকঘরের তরফে জানানো হয়েছে। ডাকঘরের কর্মীদের বক্তব্য, বিএসএনএলের কানেকশন নাকি থাকছেই না।
ইন্টারনেট পরিষেবা না থাকার বিষয়টি এখন রুটিনে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ। কখনও টানা তিন দিন, কখনও আবার টানা পাঁচদিন ধরে লিঙ্ক ফেলিওর হয়ে থাকছে। এবারে সমস্যা চলছে টানা সাত দিন ধরে। এতে সমস্যায় পড়েছেন গ্রাহকরা। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করা আর টাকা তুলতে এসে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ফিরে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনও করতে পারছেন না গ্রাহকরা। নাজেহাল গ্রাহকরা বলছেন, “এভাবে সাব পোস্ট অফিস টিকিয়ে রাখার0 অর্থ কী? সংস্থার কর্মীরা দাবী করছেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সমস্যার কথা জানিয়েছেন, তাতে তো ভোগান্তি কমার কোনও দিশা মিলছে না!”
ইন্টারনেট সমস্যা এভাবে রুটিন হয়ে যাওয়ার জন্য গ্রাহকদের কেন ভুগতে হবে সেই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য দিতে পারেননি ডাকঘরের আধিকারিকরা।
[caption id="attachment_187805" align="aligncenter" width="599"]

ভোগান্তির শিকার গ্রাহকরা[/caption]
অনেক পরিবার এমআইএসের টাকার উপরে বেশ কিছুটা নির্ভরশীল, গ্রাহকদের অনেকে আবার ডাকঘরে টাকা রেখে অল্প করে তুলে সংসার চালান। প্রবীণরা অনেকেই ডাকঘরে টাকা গচ্ছিত রেখে তার সুদের টাকায় সংসার চালান। এঁদেই সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে। ভোগান্তি নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে এই উপ-ডাকঘরের গ্রাহকদের। যাঁদের মেয়াদি আমানতের টাকা তোলার সময় হয়ে গেছে তাঁরাও টাকা তুলতে পারছেন না। একজন মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা তুলতে এসে গত সাত দিন ধরে ভুগছেন।
বারাসতের নবপল্লি ডাকঘরের দুর্দশা চরমে উঠলেও এই ডাকঘরের কর্মীদের বিশেষ কেউ দুষছেন না। তাঁদের সিংহভাগের মতে, সামগ্রিক ভাবে ডাক ব্যবস্থাতেই গলদ রয়েছে। এজন্য অনেকে আবার কেন্দ্রীয় সরকারকে দুষছেন।
ব্যাঙ্কের চেয়ে সামান্য হলেও সুদের হার বেশি ডাকঘরে, কিন্তু সামান্য সুদের বদলে যে ভোগান্তি হচ্ছে তা সহ্য করতে করতে এখন তাঁরা ক্লান্ত।
জেলার প্রধান ডাকঘরে গেলে হয়তো অনেকের সুরাহা হয় কিন্তু বেশিরভাগ গ্রাহক প্রবীণ হওয়ায় তাঁরা অত দূরে যেতে পারছেন না। তাই তাঁরা এখন অপেক্ষা করছেন কবে স্বাভাবিক হবে পরিষেবা।