Date : 16th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিরাট ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লখনউ! রশিখ-ভুবনেশ্বরদের বোলিং দাপটে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আরসিবি‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডিরটাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি

করোনা সতর্কতা কাজেই আসছে না বর্ধমান-কাটোয়ার ভিড়ে ঠাসা ট্রেনে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাস নিয়ে জমায়েত এড়ানোর কথা প্রশাসনের বিভিন্ন মহল থেকে বারবার বলা হলেও বর্ধমান থেকে হাওড়াগামী কর্ড ও মেন লাইনের লোকাল ট্রেনে ঠেলাঠেলি করেই যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রীদের। স্কুল-কলেজের মতো প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে ঠিকই এ

করোনা সতর্কতা কাজেই আসছে না বর্ধমান-কাটোয়ার ভিড়ে ঠাসা ট্রেনে

শেষ আপডেট: 17 March 2020 08:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাস নিয়ে জমায়েত এড়ানোর কথা প্রশাসনের বিভিন্ন মহল থেকে বারবার বলা হলেও বর্ধমান থেকে হাওড়াগামী কর্ড ও মেন লাইনের লোকাল ট্রেনে ঠেলাঠেলি করেই যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রীদের। স্কুল-কলেজের মতো প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে ঠিকই এবং সেই জন্য বাসে-ট্রেনে ভিড় যা কমেছে তাতে লোকজনকে বড় জোর বাদুড়ঝোলা হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে না। কাটোয়া ও হাওড়ার মধ্যে ট্রেনের সংখ্যা বর্ধমান লাইনের চেয়ে অনেকটাই কম। এই ট্রেনে ভিড়ের জন্য অনেক সময়ই যাত্রীদের ঝুলতে দেখা যায়। কয়েকদিন তেমনটি হচ্ছে না। তিনজনের সিটে চারজন ঠেসাঠেসি করে বসা লোকাল ট্রেনের অলিখিত নিয়ম এবং এখনও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। একটিই হাতল ধরছেন বেশ কয়েক জন মিলে। ভিড়ের মধ্যে হাত-পা নাড়ানোর জায়গা নেই। আরও একটা লক্ষ্যণীয় ব্যাপার হল মাস্ক পরা লোকজনের সংখ্যা বেশ কম। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়টিতে হাঁচি-কাশি লেগেই থাকে। ট্রেনেও অনেকেই হাঁচছেন ও কাশছেন। সেক্ষেত্রে মুখে হাত চাপা দিচ্ছেন ঠিকই তবে তারপরে হাত জীবাণুমুক্ত করার কোনও উপায় নেই। কোনও দোকানেই এখন হ্যান্ড স্যানিটাইজার নেই। চাহিদা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে দোকানে স্যানিটাইজার ডেলিভারি করার সঙ্গে সঙ্গেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। যাত্রীরা বলছেন যে স্কুল-কলেজ বন্ধ হয়েছে ঠিকই কিন্তু অফিস-আদালত – এসব তো বন্ধ হয়নি তাই নিয়মিত ভাবেই কলকাতায় যেতে হচ্ছে। লোকাল ট্রেনে ভিড় সামান্য কমলেও দূরত্ব বজায় রাখা ও সাবধানতা অবলম্বন করা সম্ভব হচ্ছে না। একথা ঠিক যে অনেকই মুখে মাস্ক লাগিয়ে বা রুমাল বেঁধে কর্মস্থলে যাচ্ছেন। তাঁদের পক্ষে ‘ক্লোজ কন্ট্যাক্ট’ এড়িয়ে চলা সম্ভব হচ্ছে না ঠিকই তবে যতটা সম্ভব সতর্ক থাকা যায় অনেকে ততটা সতর্ক থাকছেন। ট্রেনের ভিতরেও অনেক সময় করোনাভাইরাস থেকে সতর্ক থাকার জন্য প্রচার করা হচ্ছে। তবে সেটি বাস্তবে করা একরকম অসম্ভবই হয়ে পড়েছে। বর্ধমানের বিভিন্ন রুটের বাসের অবস্থায়ও একই রকম। ভয়ানক ভিড়ে ঠেসাঠেসি করা দাঁড়ানো। গন্তব্য আসার আগে ঠেলতে ঠেলতে এগোনো। বাসের হাতলও ধরছেন কোনওক্রমে কারণ সেখানেও অনেক হাত পাশাপাশি রয়েছে। প্রত্যেকের হাত ঠেকে রয়েছে পাশের জনের হাতের সঙ্গে। নিয়ম করে বাস ও ট্রেন পরিষ্কার করা হয় ঠিকই তবে সেসব রুটিন কাজ। এখনও গণপরিবহণ নিয়মিত ভাবে জীবাণুমুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।

```