দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তর বিরুদ্ধে মঙ্গলবার দুপুরেই অনাস্থা আনা হচ্ছে বলে জানালেন ডেপুটি মেয়র তাপস চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, “দুপুর দুটোর সময় কর্পোরেশনের চেয়ার পার্সন কৃষ্ণা চক্রবর্তী এবং যুগ্ম কমিশনারের হাতে কাউন্সিলরদের সই করা চিঠি তুলে দেওয়া হবে।”
যদিও তাপসের দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না সব্যসাচী। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আগে কাগজটা তো আসুক। তারপর দেখছি!”
তাপস চট্টোপাধ্যায়দের দাবি, ২৮ জন কাউন্সিলর সই করেছেন ওই চিঠিতে। ৪১ আসনের বিধাননগর পুরনিগমে অনাস্থা আনতে গেলে দরকার, ২১ জন কাউন্সিলরের সই। তৃণমূলের দাবি, তার থেকে অনেকটা বেশি সংখ্যা রয়েছে তাদের কাছে। সোমবার রাতে তাপসবাবুই ঘুরে ঘুরে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরকে ওই চিঠিতে সই করিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সই করানোর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর অসুন্তষ্ট বলেও সূত্রের খবর।
তবে তৃণমূল যে দলীয় কাউন্সিলরদের উপর অনাস্থা আনতে হুইপ জারি করেছে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তাপসবাবু। তিনি বলেছেন, “দলের নির্দেশ মেনেই কাউন্সিলররা সই করছেন।”
অনাস্থা নিয়ে সোমবারও মুখ খুলেছিলেন সব্যসাচী। চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন, “ভোটাভুটি হতে দিন, তারপর দেখবেন কী হয়!” এ দিন আবার রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম গোটা ঘটনার দায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “এটার জন্য আমি দায়ী। দল অনেক দিন আগে ব্যবস্থা নিতে বলেছিল। আমি মাঝখানে থেকে মেটানোর চেষ্টা করেছিলাম। কারণ ওঁকে (পড়ুন সব্যসাচীকে) আমি স্নেহ করতাম।”
এখন দেখার শেষ পর্যন্ত ক’জন কাউন্সিলরের সই নিয়ে অনাস্থা প্রস্তাব জমা করেন তাপস চট্টোপাধ্যায়রা। তারপর কী করেন সব্যসাচী সে দিকেও চোখ থাকবে রাজনৈতিকমহলের।