
শেষ আপডেট: 31 January 2020 13:22
চিকিৎসক এবং শুভানুধ্যায়ীরা মিছিল করে স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের কর্মসূচি নিয়েছিল সে সময়ে। দাবি ছিল, অরুণাচলবাবুর বিরুদ্ধে জারি করা অন্যায় সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে হবে। কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি করে ওই মিছিল আটকে দেয় প্রশাসন। কার্যত ধুন্ধুমার বেঁধে গিয়েছিল সল্টলেকে।
এদিন অরুণাচল চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি একটি অর্ডারের কপি পেয়েছি। যেখানে আমার সাসপেনশন প্রত্যাহারের কথা লেখা রয়েছে। কিন্তু আমি কোথায় কাজে যোগ দেব, পুরনো জায়গাতেই যোগ দেব কিনা, ওই অর্ডারে তা স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই।” তাঁর কথায়, “আমায় সোমবার থেকে আবার সেই নির্দেশ জানার তোড়জোড় শুরু করতে হবে।”
অরুণাচলবাবু এমনিতে রসিক মানুষ হিসেবেই পরিচিত। ফেসবুকের লেখাতেও সেই ছাপ পাওয়া যায়। এই দু’বছর তিনমাস কী করলেন তিনি? প্রশ্ন করতেই ডাক্তারবাবুর জবাব, “বিশ্বাস করুন, চুটিয়ে সংসার করেছি।” এরপর জানালেন, “এই সময়ের মধ্যে প্রতি মাসে আমাকে মুচলেকা দিয়ে জানাতে হত, আমি কোথাও প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছি না।” কাতর আর্জি নিয়ে বললেন, “আমার অবসরের আর চার মাস বাকি। আমি এই সময়ে চিকিৎসার অনেকটাই ভুলে গিয়েছি। তবু আমি রোগীদের কাছে ফিরতে চাই।”
অরুণাচলবাবুর সাসপেনশন প্রত্যাহারকে নিজেদের জয় হিসেবেই দেখছে চিকিৎসকদের অনেকে। তাঁদের মতে, সরকার বাধ্য হল ন্যায়ের কাছে নতি স্বীকার করতে। এই ঘটনা আরও অনেককে সাহস জোগাবে।