শেষ আপডেট: 20 June 2019 14:53
ভোটের পরে ব্যারাকপুরের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হয় ডি পি সিংকে। কিন্তু কয়েকদিন পরে তাঁকে সরিয়ে নিয়োগ করা হয় তন্ময় রায়চৌধুরীকে। সূত্রের খবর, ব্যারাকপুরের প্রশাসনিক অবনতি হওয়াতেই এই দায়িত্ব পরিবর্তন করা হয়। তন্ময় রায়চৌধুরী যেহেতু আগে উত্তর ২৪ পরগনার পুলিশ সুপার ছিলেন, সুতরাং তাঁর পরিচিত এলাকার পরিস্থিতি তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, এমনটাই ভাবা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও পরিস্থিতি বদলায়নি। ক্রমাগত আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি। আর এই অবস্থায় এ বার মনোজ বর্মাকে এই দায়িত্বে আনলেন মমতা।
নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই এই রদবদলের খেলা চলছে। নির্বাচন কমিশনের হাতে দায়িত্ব আসার পর রাজ্যের বেশ কিছু পুলিশ কর্তাকে সরিয়ে দেয় কমিশন। কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে অনুজ শর্মাকে সরিয়ে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল তথা সিনিয়ার আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমারকে সেই পদে বসানোর নির্দেশ দেয় কমিশন। সেই সঙ্গে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকে জ্ঞানবন্ত সিংকে সরিয়ে নতুন কমিশনার করা হয় নটরাজন রমেশ বাবুকে। বদলে দেওয়া হয়, ডায়মণ্ড হারবার ও বীরভূমের পুলিশ সুপারকেও। ডায়মণ্ড হারবারের পুলিশ সুপার এস সেলভামুরুগানকে সরিয়ে ওই পদে কলকাতা আর্মড পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শ্রীধর পাণ্ডেকে বসায় কমিশন। অন্য দিকে, বীরভূমের পুলিশ সুপার পদ থেকে শ্রীশ্যাম সিংকে সরিয়ে সেখানে বসানো হয় বিমানবন্দর এলাকার ডেপুটি কমিশনার আভান্নু রবীন্দ্রনাথকে। সরিয়ে দেওয়া হয় আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার অফিসার ইন-চার্জ কৌশিক দাসকে।
নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পরেই সরিয়ে দেওয়া অফিসারদের ফের নিজেদের পদে ফিরিয়ে আনেন মমতা। অবশ্য বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারকে নিয়ে চলে নাটক। চারদিনে চারজন কমিশনার বদল করা হয়। প্রথমে জ্ঞানবন্ত সিং, তারপর নিশাত পারভেজ, ভরত লাল মীনা হয়ে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয় লক্ষ্মী নারায়ণ মীনাকে।