
শেষ আপডেট: 4 October 2018 16:48
তবে সেটাই একমাত্র বিশ্লেষণ নয়! বরং তৃণমূলের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে অন্য খবর। শাসক দলের একটি সূত্র বলছে, মন্ত্রিসভায় এই রদবদলের নেপথ্যে রয়েছে নাগেরবাজার বিস্ফোরণ কাণ্ড। গান্ধী জয়ন্তীর দিন সকালে নাগেরবাজারে রহস্যজনক বিস্ফোরণে একটি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। আহতের সংখ্যা দশের বেশি। ঘটনার খবর পেয়ে উত্তর ২৪ পরগনার জেলা তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক থেকে শুরু করে তৃণমূলের অনেক নেতা মন্ত্রী অকুস্থলে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু দমদমের বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও ব্রাত্য বসুকে নাগেরবাজারে দেখা যায়নি। একবারের জন্যও তিনি সেখানে যাননি। এবং সেই রিপোর্ট নাকি দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে।
এমনিতে দলের কাজে খুব ব্যস্ত থাকার 'বদনাম' ব্রাত্যবাবুর নেই। বেশিরভাগ সময় নিজের নাটক নিয়েই ব্যস্ত থাকেন সিটি কলেজের এই অধ্যাপক। তিনি তাঁর দফতরেও বিশেষ যান না। তৃণমূল সূত্রের খবর এ সব নিয়ে জেলার নেতারা মুখ্যমন্ত্রীর কাজে ক্ষোভ জানিয়েছেন। সম্ভবত তারই প্রভাব দেখা গেল রদবদলে। ব্রাত্যকে প্রায় গুরুত্বহীন একটি মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হলো।
অন্যদিকে গুরুত্ব বাড়ানো হলো ধনেখালির বিধায়ক অসীমা পাত্রর। পরিকল্পনা দফতরের পাশাপাশি কৃষি ও মৎস দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁকে।