দ্য ওয়াল ব্যুরো: নারদ কাণ্ডে শুক্রবার বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে ডেকে পাঠিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু প্রাক্তন রেলমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সিকে জানিয়েছিলেন, আজ তিনি যেতে পারবেন না। দলীয় কর্মসূচি রয়েছে। তাহলে কবে যাবেন মুকুলবাবু? নিজেই সে কথা খোলসা করলেন একদা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। এ দিন বিকেলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নই, যে সিবিআই দেখলে পালিয়ে যাব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম দিন থেকে বলেছিলেন, সিবিআইয়ের সঙ্গে অসহযোগিতা করো।”
মুকুলবাবুর কথায়, “আমি খানিকক্ষণ আগেই সিবিআই-কে চিঠি দিয়েছি। দুপুর তিনটে পর্যন্ত মহালয়ার তর্পণের শুভ তিথি রয়েছে। তর্পণের সময় শেষ হলেই আমি যাব।” অর্থাৎ দেবীপক্ষের শুরুতেই সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতে চলেছেন মুকুলবাবু। তৃণমূল কংগ্রেসের একদা সেকেন্ড ম্যান এ দিন আরও বলেন, “তদন্ত এজেন্সি যাকে মনে করবে ডাকতে পারে। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে তদন্ত এজেন্সিকে সহযোগিতা করাটা আমার কর্তব্য।”
বৃহস্পতিবার নারদ স্টিং অপারেশন কাণ্ডে প্রথম গ্রেফতারিটা সেরে ফেলেছে সিবিআই। অবিভক্ত বর্ধমানের প্রাক্তন পুলিশ সুপার এসএমএইচ মির্জাকে হেফাজতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি। তারপরই মুকুল রায়কে নোটিস পাঠান গোয়েন্দারা।
এ মাসের শুরু থেকেই নারদ ফুটেজে দেখা যাওয়া একাধিক নেতামন্ত্রীর ভয়েস স্যাম্পল সংগ্রহ করে সিবিআই। মির্জাও ছিলেন তার মধ্যে অন্যতম। গতমাসে নয়া দিল্লির সিবিআই সদর দফতরে যে দিন ম্যাথু স্যামুয়েল আর কেডি সিং-কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করেছিকেন গোয়েন্দারা, সে দিন সিবিআই সদরে গিয়েছিলেন মুকুলবাবু। পরে অবশ্য বলেছিলেন, “আমায় ডাকেনি। আমি নিজেই গিয়েছিলাম।” এবং এ-ও জানিয়েছিলেন, নারদ নিয়ে কোনও কথাবার্তাই হয়নি কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকদের সঙ্গে। তবে এ দিন জানিয়ে দিলেন, তর্পণ মিটলেই তিনি যাবেন সিবিআই দফতরে।