
শেষ আপডেট: 22 August 2018 13:35
মসজিদটির একটি বড় গম্বুজ এবং চারটি বড় ও চারটি ছোট মিনার আছে l পূর্বমুখী এই মসজিদটির সামনে উঁচু জায়গায় আরবী ভাষায় লেখা একটি লিপি ফলক প্রথিত আছে l এই মসজিদটি মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক অতি পবিত্র ধর্মস্থান l বিভিন্ন মুসলিম পরব যেমন ঈদ-উল-ফিতর ,ঈদ-উদ-জোহা, ফতেয়া-দোয়াজ-দাহাম প্রভৃতিতে এখানে অনেক মানুষ প্রার্থনায় অংশ নেন l
কিন্তু এখন বেশিরভাগ অংশই ভগ্নপ্রায়। সেদিকে হুঁশ নেই প্রশাসনের। মসজিদের বর্তমান ইমামের বক্তব্য তাঁরা অনেকবার আবেদন করেছেন যাতে এই মন্দিরের রক্ষনাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু কেউ কান দেননি। তাঁরা যতটুকু পারেন করেন। কিন্তু কতদিন এভাবে এই ঐতিহ্যশালী মসজিদ বাঁচিয়ে রাখা যাবে সেটাই তাঁদের চিন্তা।
শান্তিপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য বুধবার ঈদ-উদ-জোহা উপলক্ষ্যে এই তোপখানা মসজিদে যান। সেখানে গিয়ে যাঁরা নামাজ পড়তে এসেছিলেন তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। মসজিদ প্রসঙ্গে অরিন্দম ভট্টাচার্য বলেন, "বাংলার প্রাচীনতম মসজিদগুলির মধ্যে এটি একটি অন্যতম মসজিদ। শান্তিপুরের শান্তি ও সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এখানে হিন্দুধর্ম,বৌদ্ধধর্ম, খ্রীষ্ট্রধর্ম ও ইসলামধর্মের শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে। আমি মনে করি আমাদের আগামী প্রজন্মের এবং বর্হিবিশ্বের জন্য প্রায় ভুলে যাওয়া ধর্মীয় ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্বিক সংরক্ষণ আমাদের পরম কর্তব্য। "
এখন দেখার এই ঐতিহ্যশালী মুঘল আমলের 'তোপখানা মসজিদ' রক্ষার জন্য প্রশাসন সচেষ্ট হয় কিনা।
