দ্য ওয়াল ব্যুরো: শ্মশানের নিস্তব্ধতা দেখা গেল শ্মশানকালীর মন্দিরে। দেশজোড়া লকডাউনের ফলে সাধারণ মানুষের জরুরি দরকার ছাড়া বাড়ি থেকে বেরনো নিষেধ। তাছাড়া মন্দিরের দরজাও ছিল এদিন বন্ধ। পুরোহিতরা নিত্যপুজো করলেন মুখে মাস্ক পরে।
জলপাইগুড়ির শিরিষতলা এলাকায় রয়েছে তেঁতুলতলা কালীমন্দির। প্রতিবছর পয়লা বৈশাখে এই মন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে। এবার করোনা রুখতে লকডাউন চলায় খাঁ খাঁ করছে মন্দির চত্ত্বর। মন্দিরের পুরোহিত প্রদীপকুমার মৈত্র বলেন, “সকাল থেকে বসে আছি। প্রতিবছর এখানে তিল ধারনের যায়গা থাকে না কিন্তু এবার ভক্তদের দেখা নেই।”
জেলার মাশকলাইবাড়ি শ্মশানকালীর মন্দিরে পয়লা বৈশাখের দিনে এবার শ্মশানের নিস্তব্ধতা। মন্দির পরিচালন সমিতির সদস্যরা আগে থেকেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে এবার পয়লা বৈশাখে বন্ধ থাকবে মন্দির। মন্দিরে গিয়ে দেখা গেল কোলাপসিবল গেট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। মন্দিরের পুরোহিত নীলরতন চক্রবর্তী বলেন, “এবারে নিত্যপূজা ছাড়া আর কিছুই করা হচ্ছেনা এই মন্দিরে।”
পাতকাটা অগ্রণী সঙ্ঘের কালীমন্দিরে গিয়ে দেখা গেলো হাতে গোনা দু’এক জন লোক পয়লা বৈশাখে পুজো দিতে এসেছেন। তাঁরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মুখে মাস্ক পরে মন্দির চত্ত্বরে বসে আছেন। সেখানে এসেছিলেন সুচিত্রা পালিত নামে এক গৃহবধূ। তিনি বললেন, “আমাদের ব্যবসা আছে। প্রতিবার আমরা দোকানেই পুজো করি। এবার লক ডাউন। তাই মন্দিরে এসেছি। এখানেই লক্ষ্মী-গণেশের পুজো দিতে।
এবারে বেশিরভাগ দোকানেই হালখাতা হয়নি পয়লা বৈশাখে। খোলেনি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান ছাড়া অন্য কোনও দোকানও।