
শেষ আপডেট: 24 February 2019 16:04
এমনিতে যেখানে সেখানে ঢুকে সেলিমের গল্প জুড়ে দেওয়ার অভ্যেস রাজনীতিতে বহুল চর্চিত। তাঁর বিরোধী নেতারাও বলেন, সেলিম এমন একজন মানুষ যখন যেখানে খুশি গল্প জমিয়ে দিতে পারেন। রবিবার রায়গঞ্জেও সেই একই কাজ করতে দেখা গেল তাঁকে। জানা গিয়েছে সেখানে যাওয়ার কোনও কথাই ছিল বা সেলিম সাহেবের। কিন্তু রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিয়ে পৌঁছে যান কীর্তনের আসরে।
প্রসঙ্গত, গতবার বন্যার সময় এক কোমর জলে নেমে রায়গঞ্জে ত্রাণ বিলির কাজ করেছিলেন এই সিপিএম নেতা। এ দিনের অনুষ্ঠানে পৌঁছতেই উদ্যোক্তারা সে প্রসঙ্গ তুলে সাংসদের সুখ্যাতি শুরু করেন। কিন্তু বক্তব্যের শুরুতেই সেলিম বলেন, “প্রশংসা সামনে করতে নেই। ওটা আড়ালে করতে হয়। আর সমালোচনা করতে হয় সামনে।”
পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোট আসছে। এখন জনসংযোগের জন্য রাজনৈতিক নেতারা এই ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানগুলিকে হাতিয়ার করবেন। সেলিমও পোড় খাওয়া রাজনীতিক। রাজ্যের মন্ত্রীও ছিলেন। ২০০৪-২০০৯ পর্যন্ত কলকাতা উত্তরের সাংসদও নির্বাচিত হয়েছিলেন। ফলে তিনি যে এই সুযোগকে কাজে লাগাবেন তা বলাই বাহুল্য।
https://www.facebook.com/salimcomrade/videos/2072228019497259/