দ্য ওয়াল ব্যুরো: কালীপুজোর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আসানসোলে। ভস্মীভূত হয়েছে ১০টি বাড়ি ও দোকান। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে একজনের।
পুলিশ সূত্রে খবর, আসানসোল উত্তর থানার অন্তর্গত তপসী বাবার মন্দিরের কাছে এই অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। যেসব বাড়ি ও দোকানে আগুন লেগেছে সেগুলি অস্থায়ী ঝুপড়ি ছিল বলে শোনা গিয়েছে। কীভাবে এই আগুন লেগেছে তা স্পষ্ট নয়। তবে ঘটনাস্থলে একটি ইলেকট্রিকের দোকান ছিল। দমকল কর্মীদের প্রাথমিক অনুমান ওই দোকান থেকেই শর্ট সার্কিটের কারণে হয়তো আগুন লেগেছে। তবে বাজি বা প্রদীপ থেকেও আগুন লাগার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না দমকল কর্মীরা।
তিনটি ইঞ্জিন বেশ খানিকক্ষণের চেষ্টায় গতকাল রাতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং দমকল বাহিনী। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতের দেহ পাঠানো হয়েছে আসানসোল জেলা হাসপাতালে।
অন্যদিকে গতকাল রাতেই আসানসোলের পাশাপাশি কুলটির নিয়ামতপুরেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে একটি বাড়ি। লক্ষাধিক নগদ টাকা-সহ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বেশ কিছু মূল্যবান সম্পত্তি। ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত আজাদবস্তি এলাকায় মজাহিদ আনসারির বাড়িতে গতকাল রাতে হঠাৎ আগুন লাগে। তবে সেই সময় পরিবারের সদস্যরা বাড়ির বাইরে ছিলেন। ফলে বড়সড় দুর্ঘটনার এড়ানো গিয়েছে। তবে অনেক টাকা এবং ব্যাঙ্ক ও বিমার নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে খবর। আগুন লাগার পরেই স্থানীয় বাসিন্দারা বাড়ির টালি সরিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ততক্ষণে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল সর্বত্র। দমকল আসার আগে আগুনের লেলিহান শিখায় গোটা বাড়ির সমস্ত কিছুই ভস্মীভূত হয়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে দমকল কর্মীদের অনুমান শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
এছাড়া শনিবার পূর্ব বর্ধমানের কালনার কৈলাসপুর গ্রামেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ২০টি কাঁচা বাড়ি। আগুনের এত দ্রুত এবং এত বেশি জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছিল যে নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেয়েছেন দমকল কর্মীরা। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় দমকলের ৫টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।