দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিদিকে বলো প্রচার শুরু হয়েছে প্রায় সাত মাস হল। সেই প্রচার বন্ধ হচ্ছে না। তবে একুশের ভোটের দিকে তাকিয়ে সোমবার নতুন ক্যাম্পেন শুরু করে দিলেন প্রশান্ত কিশোর এবং তাঁর টিম-‘বাংলার গর্ব মমতা’। যে ইভেন্ট লঞ্চের মঞ্চে উপস্থিত থাকলেন দিদিও। যিনি অনুষ্ঠানের শুরুতে দলের নেতা কর্মীদের সংবিধানের প্রস্তাবনা পাঠ করালেন।
লোকসভা ভোটে বাংলায় ৪২টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১৮ আসন জিতে নেওয়ার পরই উদ্বেগের স্রোত বয়েছিল তৃণমূলের অন্দরে। নিচুতলার মানুষের সঙ্গে কোথায় এবং কীভাবে সেই বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়েছিল দলের ভিতরে। দূরত্ব কীভাবে মোছা যায় সেজন্য সাহায্য নেওয়া শুরু হয়েছিল ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর এবং তাঁর প্রতিষ্ঠান আই-প্যাকের।
তৃণমূলের প্রচারের দায়িত্ব পেয়েই প্রশান্ত কিশোর প্রথমে দিদিকে বলো কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন। তা ‘সফল’ হওয়ার পর সোমবার শুরু হল ‘আমার গর্ব মমতা’ প্রচার।
কী হবে এর মাধ্যমে?
দলের তরফে যে পুস্তিকা সরবরাহ করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ২ মার্চ থেকে ১০ মে পর্যন্ত চলবে এই অভিযান। এই কর্মসূচির আওতায় ৭৫ হাজারেরও বেশি দলীয় নেতা ও কর্মী রাজ্যের ১৫ হাজার জনবসতিতে যাবেন এবং বাংলার প্রায় আড়াই কোটি মানুষের কাছে পৌঁছবেন। মানুষের সঙ্গে তৃণমূলের যোগাযোগকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য।
এদিনের অনুষ্ঠানে যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিন পর্যায়ে হবে এই কর্মসূচি। কেন বাংলার গর্ব মমতা তার তিনটি কারণ রয়েছে। এই মুহূর্তে ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে কেউ যদি সংবিধানের প্রস্তাবনার রক্ষক ও অভিভাবক হয়ে থাকেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্বিতীয়ত বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে যিনি আগলে রেখেছেন—তিনি মমতা। এবং যিনি বাংলার গৌরবকে পুনরুদ্ধার করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন-তিনি বাংলার গর্ব মমতা।