
শেষ আপডেট: 2 September 2020 15:54
সরকারের এই দরপত্র নিয়ে বুধবার থেকে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, কোভিডের কারণে এখন পর্যটন বন্ধ রয়েছে। মন্দির, মসজিদ খোলা থাকলেও দর্শনার্থীর চাপ নেই। এটা ঠিক যে এই সময় সংস্কারের কাজের জন্য উপযুক্ত। কিন্তু একই সঙ্গে এও ঠিক যে কোভিড ও উমফানের পর সরকারের অর্থ বরাদ্দে অগ্রাধিকার এখন বদলে যাওয়ার কথা। কেননা সমাজের বড় অংশের মানুষ এখন তীব্র অনটনে রয়েছে। তাদের সামাজিক সুরক্ষার দায়িত্ব নবান্নেরই। কিন্তু তার পরিবর্তে নবান্ন যে ভাবে মন্দির সংস্কারে নেমেছে তা নিয়েই কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করছেন, একুশের ভোটের আগে হিন্দু তথা সংখ্যাগুরুদের বার্তা দিতেই সম্ভবত এই পদক্ষেপ করছে নবান্ন। কচুয়া ও চাকলায় গোটা বাংলা থেকে দর্শনার্থীরা যান। লোকনাথ বাবার শিষ্য ও অনুগামীরা গোটা রাজ্যে ছড়িয়ে রয়েছেন। মন্দির সংস্কার করলে তাঁদের কাছে ইতিবাচক বার্তা যেতে পারে।
কদিন আগে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ভূমিপুজো হয়েছে। তখন মন্দির নির্মাণের প্রসঙ্গে শাসক দলের অনেকেই সমালোচনা করেছিলেন। কোভিডের সময়ে মন্দির নির্মাণ করার কতটা যৌক্তিকতা রয়েছে তা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলেছিলেন। এখন উল্টো প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার।
এ ব্যাপারে বিজেপির এক মুখপাত্র বুধবার বলেন, “লোকসভা ভোটে মতুয়া সমাজ মুখ ঘুরিয়েছে তৃণমূলের থেকে। শাসক লুব্ধ করতে চাইলেও ফাঁদে পা দিতে চায়নি। বরং উত্তর চব্বিশ পরগনা ও নদিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। হতে পারে সেই কারণেই প্যানিক করছে সরকার”।