গভীর জঙ্গলে হারিয়ে গিয়েছিলাম, বাঁচিয়েছিল প্যাঁচা আর সাপ, গল্প শোনালেন মমতা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভয়ঙ্কর বিপদে পড়েছিলেন। অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলেন প্রাণে। আর সেই বিপদ থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঁচিয়েছিল এক জোড়া লক্ষ্মী প্যাঁচা আর একটা মস্ত সাপ। গোপীবল্লভপুরের জনসভায় নিজেই সেই গল্প শোনালেন মমতা ব
শেষ আপডেট: 6 May 2019 10:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভয়ঙ্কর বিপদে পড়েছিলেন। অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলেন প্রাণে। আর সেই বিপদ থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঁচিয়েছিল এক জোড়া লক্ষ্মী প্যাঁচা আর একটা মস্ত সাপ। গোপীবল্লভপুরের জনসভায় নিজেই সেই গল্প শোনালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সোমবার ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বীরবাহা সরেনের সমর্থনে জনসভা করেন মমতা। সেই সভাতেই ঝাড়গ্রামে আসার কথা বলতে গিয়ে ২০১২ সালের একটি ঘটনা উত্থাপন করেন দিদি। তখন সবে সবে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তিনি। বলেন, “২০১২ সালে বন্যার সময় আমি ঝাড়গ্রামে এসেছিলাম। কোনও সিকিউরিটি ছাড়াই ঢুকে পড়েছিলাম। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। ও মা ! হঠাৎ দেখি একটা লক্ষ্মী প্যাঁচা আআমার গাড়ির উপর এসে বসল। আমি ভাবলাম হয়তো এমনিই এসে বসেছে! খানিকটা যাওয়ার পর দেখি আর একটা প্যাঁচা! মানে আমাদের বুঝিয়ে দিচ্ছিল তোমরা ভুল রাস্তায় ঢুকে পড়েছ। জঙ্গলের মধ্যে আরও কিছুটা যাওয়ার পর দেখি রাস্তা জুড়ে একটা বড় সাপ ফণা তুলে দাঁড়াল। আমি তখন বলি, আর যাওয়া যাবে না। বিপদ আছে।” এরপর মমতা বলেন, “সেটা দেখেই পুলিশকে ফোন করি। তখন তাঁরা বলেন, আপনারা ভুল রাস্তায় চলে গিয়েছেন। গভীর জঙ্গলের দিকে চলে গিয়েছিলাম আমরা।”
ফণী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে না যোগ দেওয়া এবং দু’বার ফোন করা নিয়ে কথা বলতে গিয়েই মমতা এই প্যাঁচা আর সাপের গল্প বলেন। বলেন, “গতবার যখন বন্যা হল, তখন তো তিনি কিছু বলেননি।” এ দিন মমতা আরও একবার ঝাড়গ্রামের স্থানীয় নেতাদের দোষত্রুটির কথা স্বীকার করে নেন। সেই সঙ্গে আবেদন জানিয়ে বলেন, “আমাদের ভুল বুঝে বিজেপি-র কথায় নাচবেন না। ওরা সর্বনাশ করে দেবে।”