দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এসে তরুণীর পরিবারের সদস্যদের হাতে বেধড়ক মার খেলেন যুবক। মারধরের চোটে যুবকের এতটাই বেহাল যে তাঁকে ভর্তি করতে হয়েছে হাসপাতালে। গুরুতর চোট পেয়েছেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনা ঘটেছে গাইঘাটা থানার আমখোলা এলাকায়। জানা গিয়েছে, আহত যুবকের নাম প্রীতম দেবনাথ। এই ঘটনায় প্রীতমের প্রেমিকার তিন দাদাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার তাঁদের বনগাঁ আদালতে পেশ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, যুবকের পরিবারের তরফে তরুণীর মামার বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, তরুণীর মামা প্রীতমকে মরধরের ঘটনায় মদত দিয়েছেন, প্ররোচনা দিয়েছে। নিজে প্রীতমকে মারধরও করেছেন। যদিও ঘটনার পর থেকে তরুণীর মামা পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃত তিন যুবক ওই তরুণীর পিসতুতো দাদা। তাদের নাম ছোট্টু মাঝি, মিলন মাঝি এবং রাকেশ বৈরাগি। আর তরুণীর অভিযুক্ত মামার নাম জয় দেবনাথ।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনা ঘটেছে গত ১৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। মারধরের চোটে প্রায় অচৈতন্য হয়ে যান প্রীতম। এলাকাবাসীই তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে প্রীতমকে কলকাতায় রেফার করা হয়। আপাতত কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই যুবক। প্রীতমের মা সবিতা দেবী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বাড়ির কাছেই প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তাঁর ছেলে। তারপরেই এই কাণ্ড ঘটেছে।
প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পরই প্রীতমের উপর চড়াও হয় তরুণীর তিন পিসতুতো দাদা আর মামা। যুবককে চারজন মিলে বেধড়ক মারধর করে। ঠিক কী কারণে প্রীতমকে মারধর করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ। প্রীতমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছে তারা। অভিযুক্তদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। যে তরুণীর সঙ্গে প্রীতমের সম্পর্ক রয়েছে তাঁর বয়ানও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ।