ঘৃণ্য ধর্ম ছড়াচ্ছে ওরা, হিন্দু ধর্ম নয়: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতার লাইভ হাইলাইটস
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরবঙ্গে রাজনৈতিক সফরে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে সভা ডাকা হয়েছে। সেখানেই তাঁর বক্তৃতার লাইভ হাইলাইটস-
কাকে বলে ভোরের আলো? চেনেন? জায়গাটার নাম কী ছিল। গাজলডোবা। সে
শেষ আপডেট: 15 December 2020 08:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরবঙ্গে রাজনৈতিক সফরে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে সভা ডাকা হয়েছে। সেখানেই তাঁর বক্তৃতার লাইভ হাইলাইটস-
-
কাকে বলে ভোরের আলো? চেনেন? জায়গাটার নাম কী ছিল। গাজলডোবা। সেটাকে ভোরের আলো করে দিয়েছি।
-
শিলিগুড়িতে স্মার্ট সিটি হচ্ছে ‘তিস্তা।’ ওভারস্মার্ট সিটি। ডুমুরজলায় হচ্ছে। কল্যাণীতে হচ্ছে। ৬ টা স্মার্ট- ওভার স্মার্ট সিটি হচ্ছে।
-
আলিপুরদুয়ারে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। ... বাকি তো কিছু নেই।
-
দুই জেলায় সমস্ত উদ্বাস্তু কলোনি সব স্বীকৃত করে দিয়েছি। পাট্টা পেতে সময় লাগতে পারে, কিন্তু মনে রাখবেন বিজেপির এনআরসির গাট্টা খেতে হবে না। সব স্বীকৃত করে দিয়েছি।
-
এনপিআর কি খায় না মাথায় দেয়। আলু থেকে আলুর চোকলা বাদ দিতে পারেন? অনেকে আলুর চোকলা খায়।… এনআরসি আর এনপিআরের মধ্যে তফাৎ কী?
-
বাংলা কখনও অধর্ম কাজ করে না। কিছুদিন আগে অসমে গণ্ডগোল হয়েছিল। আমি এখানে বোরোদের আশ্রয় দিয়েছিলাম।
-
জলপাইগুড়ি আর আলিপুরদুয়ার কেমন আছে কেউ যদি জিজ্ঞেস করেন, আমি বলব আপনারা একশোয় দু’শ পেয়েছেন।
-
এর আগে সরকার কী করেছে? কোন কুটোটা নেড়েছে? রসুন বেটেছে, না পেঁয়াজ বেটেছে, না আদা বেটেছে।
-
আমরা কাজ করেছি। শুধু কানে কানে বলা এ চোর, ও চোর! বিজেপির মতো বড় চোর কে আছে? এত বড় বড় ডাকাত সর্দার সব। চম্বলের ডাকাত।
-
সারা জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে নতুন ধর্ম তৈরি করেছে, দাঙ্গা ধর্ম, কুৎসা ধর্ম, ঘৃণ্য ধর্ম। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের হিন্দু ধর্ম নয়। দেবী চৌধুরাণীর হিন্দু ধর্ম নয়। ঘৃণ্য ধর্ম। এক জন আরেকজনকে খুন কর। দাঙ্গা লাগিয়ে দাও। এর সঙ্গে ওর ঝগড়া লাগিয়ে দাও।
-
কোথাও বাঙালির সঙ্গে রাজবংশী, কোথাও রাজবংশীর সঙ্গে বাঙালি, কখনও মুসলমানের সঙ্গে খ্রিস্টান, কখনও বোরোদের সঙ্গে বাঙালি, খালি ঝগড়া লাগানো কাজ।
-
পর পর তিনটি ভোটে বলেছিল, জিতলে সাতটা চা বাগান খুলে দেবে। বলেছিল কি বলেনি? নোটিফিকেশন করে দিয়েছিল ভোট পাওয়ার জন্য। এখন যেমন ভাঁওতা।
-
এখন চাকরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। প্রতিশ্রুতি মানেই প্রতারণা। মানে চিট করা।
-
২০১৯ সালে বলেছে, বছরে ২ কোটি লোকের চাকরি দেব? ক'জনকে দিয়েছেন চাকরি? এখন বলছে, চাকরির জন্য ফর্ম ফিল-আপ করো।
-
বিমল গুরুংকে বলেছে গোর্খাল্যান্ড দিয়ে দেব। প্রতিবার ভোটে বলেছে, গোর্খাল্যান্ড দিয়ে দেব। আমি কিন্তু বলি নাই। বলি নাই বলে জিতি নাই। দার্জিলিংয়ের স্থায়ী সমস্যা আমরাই করব। ওরা নয়। দার্জিলিং তরাইয়ের সঙ্গে ঝগড়া লাগানো চলবে না।
-
কোচবিহারের মেডিকেল কলেজ কমপ্লিট করেছে। আজ বিকেলে যাব। এর পর জলপাইগুড়িতেও হবে।
-
ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার পৈতৃক বাড়ি সংস্কার করে, সেখানে গবেষণা কেন্দ্র গঠন করা হয়েছে। প্রত্যেক বছর তাঁর জন্মদিনে আমরা অর্থাৎ সাহায্য করি। ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
-
একটা লোক আট বছরে কত করতে পারে। একটা বছর তো করোনায় চলে গেছে। যেটুকু হয়নি, দুয়ারে সরকার যাচ্ছে।
-
১২ লক্ষ সাইকেল রেডি আছে, দু মাসের মধ্যে পেয়ে যাবেন ছেলেমেয়েরা।
-
যে ক্ষমতায় থাকে আর যে ক্ষমতায় থাকেন না—দুটোর ফারাক রয়েছে। যে ক্ষমতায় থাকে সে চেষ্টা করে কাজ করার, মিথ্যা কথা না বলার। যে ক্ষমতায় থাকে না, তার তো কোনও দায়বদ্ধতা নেই, সে ভাবে মিথ্যা কথা বলে যাই। বাইরে থেকে গুন্ডা নিয়ে আসি।
-
উত্তরবঙ্গে লোকসভা ভোটে একটা সিটও আমরা পাইনি। কী অন্যায় করেছিলাম আমরা? বাইরে থেকে এসে সব বিজেপি নিয়ে চলে গেল। এরা আরএসএস। এরা রামকৃষ্ণ মিশন নয়, এরা ভারত সেবাশ্রম নয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বলছে তোমাদের কি বই চাই?
-
আরে বই চাইলে তো সরকারের থেকে পাবেন। টেস্ট পেপারও সরকার দেয়। বাচ্চাদের জুতো জামা কাপড়ও সরকার দেয়। গিয়ে বলছে, মেয়ের বিয়ে? আরে সে জন্যও তো সরকারের রূপশ্রী প্রকল্প রয়েছে। সবাই স্কলারশিপ পায়।
-
কে পায়নি, কোথায় পায়নি, আমরা যা করে যাচ্ছি, সারা পৃথিবীতে কেউ করে দেখাতে পারবে না। বিনা পয়সায় কত সুযোগ। এই সুযোগ কোথায় পাবে?
-
বাংলায় চল্লিশ শতাংশ গরিবি কমে গেছে। উন্নয়ন নিয়ে বলার ওদের মুখ নেই। সিপিএমের, কংগ্রেসের, বিজেপির নেই। রামকৃষ্ণের কথামৃতে একজায়গায় লেখা রয়েছে—অঙ্কা বঙ্কা। আমি ওদের বলছি অঙ্কা বঙ্কা শঙ্কা।
-
উত্তরবঙ্গে লোকসভায় একটাও আসন পাইনি। কিন্তু বিধানসভায় আমি সবটাই চাই। কারণ, ওদের উদ্দেশ্য বাংলাকে গুজরাত বানিয়ে দেওয়া। আমরা বাংলাকে গুজরাত বানাতে দেব না।
-
রবি ঠাকুরের জনগণমন একবার পাল্টে দেখো, তার পর দেখবে কেমন উল্টে দিই। মা বোনেরা নেমে পড়বেন।
-
বলে বেড়াচ্ছে ডিসেম্বর থেকে মারব। মেরে দেখুক না। আমি বলি শোনো, আমি ভাল তো খুব ভাল। হান্ড্রেড পারসেন্ট শান্ত লোক। কিন্তু আমি যখন প্রত্যাঘাত করব কোটি কোটি গুন্ডা এনে কিছু করতে পারবে না।
-
কেউ আমরা মারতে চাইনি। একটা ভিআইপি যখন যায়, তখন প্রোটোকল অনুযায়ী নিরাপত্তা রক্ষী যায়। কিন্তু তার পিছনে কেন চল্লিশটা গাড়ির কনভয় থাকবে। কেন চল্লিশ জন গুন্ডা থাকবে।
-
সংখ্যালঘুদের ভোট ভাগ করার জন্য একটা হায়দরাবাদের পার্টি ডেকে এনেছে। সেই পার্টিটা এখানে কয়েকটাকে জোগাড় করে...। বিজেপি টাকা দেয়, আর বিজেপির টাকায়...বিহারে তো দেখেছেন। হিন্দুদের এলাকায় গিয়ে খুব গালাগালি দেবে হিন্দুদের। তা হলে কী হবে হিন্দুদের ভোটটা বিজেপি পাবে।
-
আর মুসলিমদের এলাকায় গিয়ে এতো ভাল ভাল কথা বলবে যাতে মুসলিমদের ভোট ওরা পায় (পড়ুন মিম)। অর্থাৎ বিজেপি হিন্দুদের ভোট নেবে, আর ও মুসলিমদের ভোট নেবে। আর আমি কি কাঁচাকলা খাব?
-
আমি বড় বা ও বড়...কোনও প্রয়োজন নেই। দশ বছর পার্টির থেকে খেয়ে। দশ বছর সরকারের থেকে সরকারের সবটা খেয়ে ভোটের সময় এর সঙ্গে সঙ্গে বোঝা বাঁধলে আমি বরদাস্ত করি না, এটা মাথায় রাখবেন।
-
৩৬৫ দিন যাঁরা মানুষের সঙ্গে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের পরীক্ষা দিতে হবে। এমন পরীক্ষা দেবেন, বিজেপি পালানোর পথ পাবে না।
-
মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলে কোনও অপরাধ হয় না। মিলেমিশে কাজ করুন। এ বড় না বি বড় দেখার দরকার নেই। অর্জুনের মতো লক্ষ্য স্থির করুন।
-
আমি বলি কী করবে? রাষ্ট্রপতি শাসন করবে? আমি বলি খুব ভাল হবে। আমার কাজ কমে যাবে। সারাদিন ঘুরে ঘুরে মিটিং করে বেড়াব। আর তোমাদের সব ভোটটা খেয়ে নেব।
-
গান্ধীজির উদ্দেশে রবীন্দ্রনাথ একটা কবিতা লিখেছিলেন, ভয় না পেলে ভয় দেখাবে কাকে? আজ ভয় পেয়েছে তাই উল্টোপাল্টা গালি দিচ্ছে।
-
আমি বলে রাখছি, তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে। আর আগামী দিনে পথ দেখাবে।