দ্য ওয়াল ব্যুরো: পয়লা বৈশাখের সকালে স্বস্তি ফিরল চুনাভাটি চা বাগানে। সকলকে স্বস্তি দিয়ে অবশেষে খাঁচাবন্দী হল লেপার্ড বা চিতাবাঘ। লেপার্ডের হামলার আতঙ্কে বেশ কিছু দিন ধরেই সিঁটিয়ে ছিলেন ডুয়ার্সের চুনাভাটি চা বাগানের বাসিন্দারা। প্রায় প্রতিদিনই লেপার্ড এসে শ্রমিক মহল্লা থেকে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল হাঁস, মুরগি, ছাগল প্রভৃতি। তার হামলায় আহত হয়েছিলেন কয়েক জন শ্রমিকও।
বিড়াল গোত্রীয় এই প্রাণীটির হামলার জেরে চা বাগানে শঙ্কা বাড়ছিল। হিংস্র প্রাণীটিকে ধরার চেষ্টা না দেখে তাঁরা ক্ষুব্ধও হচ্ছিলেন। হামলা বাড়তে থাকায় বাগান কর্তৃপক্ষ খবর দেয় বন দফতরে। পরে শ্রমিকরা দাবি করেন চা বাগানে খাঁচা পাততে হবে। বন দফতরের উদ্যোগে খাঁচা পাতা হয়।
পয়লা বৈশাখের সকালে শ্রমিকরা চা পাতা তুলতে গিয়ে লেপার্ডের গর্জন শুনতে পান। সাহস করে শব্দ অনুসরণ করে গিয়ে দেখেন যে খাঁচায় ধরা পড়েছে বড় মাপের একটি লেপার্ড। খবর যায় বিন্নাগুড়ি ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডে।
রেঞ্জার অর্ঘ্যদীপ রায় বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্কোয়াডের দল নিয়ে চুনাভাটি চা বাগানের ৩৫ নম্বর সেকশানে আমরা হাজির হয়ে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ লেপার্ড খাঁচাবন্দী হয়েছে। আমরা সেটিকে উদ্ধার করি।”
ওই লেপার্ডটির শারীরিক পরীক্ষা চলছে। সুস্থ থাকলে তাকে বনে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
কয়েক সপ্তাহ আগে বিন্নাগুড়ি রেঞ্জের মধ্যে একটি মৃত লেপার্ড উদ্ধার করা হয়েছিল।