
শেষ আপডেট: 7 August 2020 06:58
বাড়ির ভিতরেও এখন নর্দমার জল।[/caption]
তাঁদের আরও অভিযোগ, “বিভিন্ন জায়গায় নিকাশি নালা ও খালের উপরে অবৈধ ভাবে নির্মাণ হয়েছে। সেই কারণে জল বের হতে পারে না। তাতে সমস্যা বেড়েছে। অনেক জায়গা নালা দীর্ঘ দিন পরিষ্কার করা হয়নি। এ জন্য জল বের হতে পারছে না। তাই সামান্য বৃষ্টি হলেই নালা উপচে রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে যাচ্ছে।”
ক্যানিং বারুইপুর রোড, ক্যানিং গোলাবাড়ি রোড প্রভৃতি রাস্তা পূর্ত দফতরের অধীন। এই দুই রাস্তার পাশে বাড়ি থেকে দোকান – নানা ধরনের অবৈধ নির্মাণ হয়েছে। ফলে অনেক সময়ই জল গিয়ে নালায় পড়তে পারে না। গত বছর ক্যানিং বাস স্ট্যান্ড লাগোয়া নালা তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল তবে তা অসমাপ্ত রয়ে গেছে। ফলে সমস্যা মেটেনি।
প্রাক্তন সেচমন্ত্রী সুভাষ নস্কর বলেন, “ক্যানিং এখন মহকুমা শহর। আগের চেয়ে জনঘনত্ব বেড়েছে। এই শহর পুরসভার স্বীকৃতি না পেলেও এখন সেই প্রস্তাব রয়েছে। জায়গাটিকে শহর বলে ধরে নিয়ে যে কাজ করা দরকার তা হচ্ছে না। তাই আশপাশে থাকা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সমস্যা হচ্ছে। শহরটি একেবারেই মাতলা নদীর ধারে। এখানে জল যেতে খুব একটা সময় লাগে না। কিন্তু নিকাশির সমস্যা রয়েছে। পূর্ত দফতরের জমির উপরে অবৈধ নির্মাণ হওয়ায় জল নয়ানজুলিতে পড়ছে না। ক্যানিং স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় যে নিকাশির কাজ শুরু হয়েছে তা আরও আগে শুরু হওয়া দরকার ছিল।”
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাপের (৪০ মাইক্রন) চেয়ে পাতলা প্লাস্টিক ব্যবহার করা চলে না। কিন্তু এখানে প্লাস্টিকের রমরমা। সেগুলি নিকাশি নালার মুখে জমে গেলে জল নামতে পারে না।
মহকুমা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খুব শীঘ্রই সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের বিডিও নীলাদ্রিশেখর দে বলেন, “এটা পূর্ত দফতর ও সুন্দরবন উন্নয়ন দফতরের অধীনে। তা ছাড়া এখন পাঁচ জনের বেশি লোক দিয়ে কাজ করানো যাচ্ছে না। তাই কাজ বন্ধ রয়েছে।”