দ্য ওয়াল ব্যুরো, হাওড়া: মুখ খুললেন। তবে হাত খুলে খেললেন না মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেওয়া প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্ল।
মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্মী। পদত্যাগ করেছিলেন হাওড়া জেলার সভাপতি পদ থেকেও।
তারপর সংবাদমাধ্যমে সে ভাবে কথা বলেননি লক্ষ্মী। জানিয়ে দিয়েছিলেন লক্ষ্মীবার দুপুরে তাঁর অ্যাকাডেমিতে সাংবাদিক বৈঠক করবেন। এদিন সেই সাংবাদিক বৈঠক করলেন তিনি। কিন্তু ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বললেন না। জিইয়ে রাখলেন জল্পনা।
এদিন লক্ষ্মী একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। তা হল আপাতত তিনি রাজনীতি থেকে অব্যাহতি নিচ্ছেন। অ্যাকাডেমির কাজ, ক্রিকেট, মাঠ—এসব নিয়ে থাকবেন। তবে এর মধ্যে যেটা অস্পষ্ট তা হল, এই আপাতত সময়টা কত দিনের? এ ব্যাপারে কিছু বলেননি প্রাক্তন বাংলা দলের অধিনায়ক।
এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর কাছে তিনটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা। এক, তিনি কি একুশের ভোটে দাঁড়াবেন? দুই, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাকে দেখতে চান? এবং তিন, হাওড়ার তৃণমূল নেতাদের ইয়র্কার সামলাতে না পেরেই কি এই সিদ্ধান্ত?
এক ও দুনম্বর প্রশ্নে ব্যাট লাগানোর চেষ্টাও করেননি লক্ষ্মী। জাজ দিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন। পাছে খোঁচা লেগে সেকেন্ড স্লিপে ক্যাচ চলে যায়। তিন নম্বর প্রশ্নের জবাবে প্রাক্তন এই ক্রিকেটার বলেন, “আমায় কোনও ইয়র্কার ফেস করতে হয়নি। কেন ছেড়েছি সেটা দলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। সেটা আমি বাইরে সংবাদমাধ্যমে বলব না।”
তবে লক্ষ্মী এদিন জানিয়েছেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা করেন। এখনই তিনি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন না বলেও সাংবাদিক বোইঠকে জানিয়েছেন উত্তর হাওড়ার বিধায়ক।
ফলে এদিনের সাংবাদিক বৈঠক দেখে অনেকেই বলছেন, লক্ষ্মী আসলে অনেক কিছুই বললেন না। যেগুলো বললেন সেগুলো কি করে দেখাবেন? তার উত্তর দেবে ভবিষ্যৎই।