দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পরে এবার খণ্ডঘোষেও এক ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাসের হদিস মিলল। করোনায় আক্রান্ত ওই ব্যক্তি কলকাতা পুলিশে কর্মরত। তিনি কলকাতাতেই কর্মস্থলে ছিলেন।
কলকাতা পুলিশে কর্মরত ওই ব্যক্তির শরীরে দু'দিন ধরে জ্বর থাকায় এবং একই সঙ্গে সর্দির উপসর্গ দেখা দেওয়ায় বৃহস্পতিবার তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শুক্রবার রিপোর্ট এলে জানা যায় তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। তারপরেই প্রশাসন তড়িঘড়ি তাঁর বাড়ির পাঁচ সদস্য ও পরিচারিকাকে সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠিয়ে দেয়। এখন তাঁরা সকলে বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বামচাঁদাইপুরের বেসরকারি প্রি-কোভিড হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, “আক্রান্ত ব্যক্তি গত মাসের ২৬ তারিখে বাড়ি এসেছিলেন। তারপর থেকে তিনি কলকাতাতেই আছেন।”
এপ্রিল মাসের ১৯ তারিখ পূর্ব বর্ধমান জেলায় খণ্ডঘোষে প্রথম এক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হন। কলকাতার মেটিয়াবুরুজের একটি পোশাক তৈরির কারখানায় কাজ করেন তিনি। তারপর তাঁর পরিবারের এক শিশুর শরীরেও সংক্রমণ ধরা পড়ে। বর্তমানে তারা দু’জনেই সুস্থ। বাড়িও ফিরেছেন।
৪ মে বর্ধমানের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সুভাষপল্লি এলাকায় একজন মহিলার দেহে করোনাভাইরাসের সন্ধান মেলে। তিনি কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে নার্স। তাঁকে দুর্গাপুরের কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর পরিবারের বাকী সদস্যদের লালারসের রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় স্বস্তি পেয়েছিলেন জেলার স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। পরে মেমারিতে এক ব্যক্তির শরীরে করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়। যকৃতের চিকিৎসার জন্য তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ফিরেছেন ৬ মে। তাঁরও শুক্রবারই লালারস পরীক্ষার রিপোর্ট এসেছে। তাঁর বাড়ির আশপাশের এলাকা কন্টেনমেন্ট জোন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।