
শেষ আপডেট: 6 August 2020 15:53
বাড়ির ভিতরে নর্দমার জল। ছড়াচ্ছে দূষণ।[/caption]
বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলার সহ-সভাপতি অনিল দত্ত বলেন, “পুরসভার সব কাজই অপরিকল্পিত। কাজের বদলে ঠিকাদারদের থেকে কাটমানি নিতেই তারা ব্যস্ত। এর ফল ভুগছেন শহরবাসী।”
কাটোয়া পুরসভার প্রশাসক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কাটোয়া শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড জলমগ্ন হওয়ার খবর জানতে পেরে পাম্পের সাহায্যে জল নিকাশের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ জন্য নতুন পাম্প কেনা হচ্ছে।” একই সঙ্গে তিনি জানান, এই ভাবে জল জমার অন্যতম কারণ হল পরিকল্পনা ছাড়া বাড়ি তৈরি করা।
তিনি বলেন, “আগামী কাল (শুক্রবার) পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারদের একটি দল গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার পরে রিপোর্ট তৈরি করবে। সেই রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হবে যাতে জল নিকাশির স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।”
কাটোয়া পাঁচশো বছরের পুরনো শহর। নিকাশি ব্যবস্থা বেশ খারাপ। নতুন করে যেখানে বসতি তৈরি হচ্ছে সেখানে নর্দমা করা হচ্ছে। অনেক রাস্তাও উঁচু করা হয়েছে। তবে সমস্যা তাতে মিটছে না। শহরের এক দিকে গঙ্গা ও আর এক দিকে অজয় নদ। এখানেই শহরের সব জল গিয়ে পড়ে। নদীর জল বেড়ে গেলে স্লুইস গেট বন্ধ করে দিতে হয়। ফলে নর্দমার জল জমে যায়। দুদিন বিপুল বৃষ্টি হওয়ায় নীচু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। আগে বাড়তি জল পুকুরে গিয়ে পড়ত। এখন পুকুর বুজিয়ে অনেক জায়গায় বাড়ি করা হয়েছে। ফলে জল সেখানেও যেতে পারছে না।
এখন তিনটি পাম্প কাজ করছে। আরও চার থেকে পাঁচটি পাম্প লাগানোর কথা হচ্ছে। স্লুইস গেট খোলা না গেলে তার পরেও পাঁচ থেকে সাত দিন লেগে যেতে পারে জল নামতে।