কাটোয়ায় নির্মাণশিল্পের কাজে শিশুরা, উদাসীন প্রশাসন
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পড়াশোনা করার ইচ্ছে রয়েছে, শিক্ষার অধিকার আইন রয়েছে, শিশুশ্রম বিরোধী আইন রয়েছে, স্কুলে মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা রয়েছে। তবুও ক্ষুধা আর ক্লান্তিতে ক্ষয়ে যাচ্ছে ওদের শৈশব। কখনও সাজাচ্ছে কাঁচা ইট, কখনও গাড়িতে তুলছে তৈরি হয়ে যাওয়া
শেষ আপডেট: 10 February 2020 12:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পড়াশোনা করার ইচ্ছে রয়েছে, শিক্ষার অধিকার আইন রয়েছে, শিশুশ্রম বিরোধী আইন রয়েছে, স্কুলে মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা রয়েছে। তবুও ক্ষুধা আর ক্লান্তিতে ক্ষয়ে যাচ্ছে ওদের শৈশব। কখনও সাজাচ্ছে কাঁচা ইট, কখনও গাড়িতে তুলছে তৈরি হয়ে যাওয়া ইট। এটাই ওদের শৈশব। অভিযোগ, দেখেও দেখছে না কালনা প্রশাসন।
কেউ কাজ করে ইটের পাঁজায়, কেউ নির্মাণশিল্পে। এই দুই জায়গাতেই ওদের বেশি দেখা যায়।
শিক্ষার অধিকার আইন রয়েছে দেশে। তাদের স্কুলমুখী করতে দুপুরে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে স্কুলে স্কুলে। মাঝেমধ্যেই লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে শিশুশ্রম বন্ধের বিজ্ঞাপনে ছয়লাপ হয়ে যায় গ্রাম থেকে শহর। শিশুদিবস এলে সক্রিয় হয়ে ওঠে প্রশাসন, রুটিন নিয়মে মাঝে মধ্যেই শিশুশ্রম রুখতে বিভিন্ন জায়গায় হানা দিতে দেখা যায় প্রশাসনকে, হয় ধরপাকড়ও। তবে তাতে বাস্তবে কোনও বদল হয় না।

লুকিয়ে-চুরিয়ে নয়, প্রকাশ্য দিবালোকেই কোথাও সরকারি আর কোথাও বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এক মুঠো ভাতের জন্য ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা উদয়াস্ত কঠিন পরিশ্রম করে চলে। এমনই দৃশ্য দেখা গেল কালনা মহকুমা হাসপাতালে। ওঅ শিশুরা হাসপাতালের কর্মী নয় ঠিকই তাই হাসপাতাল তাদের দায় নিতে রাজি নয়। কালনা মহকুমা হাসপাতালের সুপার বলেছেন এব্যাপারে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।
এদিন যে কর্মরত বালকদের দেখা গেছে তারা সকলেই ভিনরাজ্যের। তাতে কি! তারাও পড়াশোনা করতে যথেষ্ট আগ্রহী কিন্তু দারিদ্র্যের জাঁতাকলে তাদের পড়াশোনার স্বপ্ন ক্রমেই ফিকে হয়ে যাচ্ছে। কার দোষে বা কার গাফিলতিতে এই ভাবে নিঃশব্দে হারিয়ে যাচ্ছে শৈশব সে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া অবশ্য বেশ মুশকিল।