
শেষ আপডেট: 8 June 2019 09:09
একদিকে জয় শ্রীরাম, অন্যদিকে তার পাল্টা জয়হিন্দ। গত কয়েকদিন ধরে তাতেই তোলপাড় রাজ্য। মিষ্টি বিক্রি করতে করতেই এ নামগুলি যেন লুফে নিলেন পানিহাটির মিষ্টি বিক্রেতা কমল দাস। সামনেই জামাইষষ্ঠীর মরসুম। কী ভাবে এ নামের মায়াকে কাজে লাগানো যায়, শুরু হল চিন্তাভাবনা। যেমন ভাবা কাজও তেমনই। করে ফেললেন মিষ্টির ডিজাইন। তৈরি করলেন ছাঁচও। বাকি রইল শুধু সেই ছাঁচে ফেলে মিষ্টি তৈরি করা। গতকাল সম্পন্ন হল সেই কাজ। সন্ধের পর তা শোকেসে আসতেই মনে ধরেছে ক্রেতাদের, দাবি করলেন কমলবাবু।
তাঁর কথায়, “যে কোনও উৎসবের মরসুমেই নতুন কিছু করার ভাবনা থাকে। এ বার লোকের মুখেই হোক, আর সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধু জয় শ্রীরাম আর জয়হিন্দ এই দুই শব্দের রেষারেষি। তখনই মনে হল জামাইষষ্ঠীকে সামনে রেখে এমন নামে মিষ্টি বানালে কেমন হয় ? নতুনত্বও হবে। আবার সমস্ত রেষারেষি এসে শেষ হবে মিষ্টিমুখে।”
ক্রেতারা অবশ্য সন্দেশ বাছাইয়ে নাম মাহাত্ম্যকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। জামাইষষ্ঠী করতে আসছে বোনের বর। তাই মিষ্টি কিনতে দোকানে এসেছিলেন এলাকারই বাসিন্দা সঞ্জীব মুখার্জি। বললেন, “বাড়ির জামাইয়ের জন্য জয়হিন্দ সন্দেশই কিনে ফেললাম। কারণ ওটাই ওঁর পছন্দ।”
আবার জামাইয়ের জন্য মিষ্টি কিনতে এসে এ সব দেখে রীতিমতো তাজ্জব হয়ে গেলেন রুমা সেনগুপ্ত। তারপর বেছে কিনলেন জয় শ্রীরাম সন্দেশ। দোকান ছাড়ার আগে বললেন, “জয় শ্রীরামই নিলাম। ওঁর আবার ওতেই মন।”
একেকটা সন্দেশের দাম একশো থেকে দুশো টাকা। সাইজের রকম ফেরে। আজ সকাল থেকে কমলবাবুর দোকানে সব মিষ্টির বিক্রিকে হার মানিয়েছে এই তিন সন্দেশ।