দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনায় স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের জন্য পুলিশকর্মীদের যোগব্যায়াম করার নির্দেশ দিলেন জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার। থানাগুলিতে নিয়ম করে শুরু হল যোগাসনের ক্লাস।
দেশজোড়া লকডাউনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ রোধে লোকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছেন কিনা সেদিকেও নজর রাখতে হচ্ছে পুলিশকে। এছাড়াও রয়েছে করোনা মোকাবিলার জন্য নিয়ম করে সচেতনতামূলক প্রচার। কখনও আবার করোনা সন্দেহে রোগীকে বাড়ি থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। করোনায় মারা গেলে মৃতদেহের সৎকারের দায়িত্বও নিতে হচ্ছে পুলিশকে। কোথাও আবার একঘেঁয়েমি কাটাতে ‘গৃহবন্দী’ মানুষজনের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা করছেন – ম্যাজিক দেখাচ্ছেন, গান গাইছেন। এত কাজ করতে গেলে মানসিক চাপ তো বাড়বেই। শরীরের উপরেও চাপ বাড়ছে।
শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতে যোগ ব্যায়ামের বিকল্প নেই বললেই চলে। তাই জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে জলপাইগুড়ি জেলার সমস্ত থানায় নিয়ম করে শুরু হয়েছে যোগব্যামের ক্লাস। একই সঙ্গে গরমের হাত থেকে নিজেদের আরও সুস্থ রাখতে ডায়েটিংয়েরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে পুলিশকর্মীদের।
জলপাইগুড়ি জেলার পুলিশ সুপার অভিষেক মোদী এদিন বলেন, “লকডাউনের দেখভাল-সহ অন্যান্য ডিউটি করতে গিয়ে পুলিশকর্মী দের চাপ বাড়ছে। স্ট্রেস কমাতে জেলার সমস্ত থানায় যোগব্যায়ামের ক্লাস শুরু করার নির্দেশ আমি দিয়েছি। পাশাপাশি ডায়েটিংও করতে বলা হয়েছে।”
সারা দেশে লকডাউন শুরু হতেই জলপাইগুড়ি জেলার পুলিশকে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গেছে। লকডাউন যাতে জেলার প্রত্যেকে মেনে চলেন সে ব্যাপারে পুলিশ প্রথম থেকেই সচেষ্ট। তাই পুলিশের উপরে চাপ আগের চেয়ে অনেক গুণ বেড়েছে বলে মনে করছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মীরা। তাই এই নির্দেশ।