দ্য ওয়াল ব্যুরো: জলপাইগুড়ির বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর বয়স অনেক। প্রাচীন মতে বিভিন্ন রীতিনীতি মেনে পুজোর চারদিন ধরে মহাসমারোহে এখানে পূজিত হন দেবী দুর্গা। বিদায়বেলায় দশমীতেও থাকে নানান নিয়ম। আজ দশমী। বাপের বাড়ি ছেড়ে মায়ের ঘরে ফেরার পালা। আর কৈলাশে যাওয়ার সময় মায়ের যত্নে যেন কোনও খামতি না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখেন রাজবাড়ির সদস্যরা।
এ বছরেও অন্যথা হয়নি তার। প্রতিবারের মতোই শূন্যে গুলি ছুঁড়ে শুরু হয়েছে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি। সকাল থেকেই মা দুর্গাকে মিষ্টিমুখ করিয়ে রাজবাড়িতে শুরু হয়েছে সিঁদুর খেলা। রাজবাড়ির প্রাঙ্গনে জমা হয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয়রাও। ঢাকের তালে পা মিলিয়েছেন সবাই।
https://www.youtube.com/watch?v=3ELxrQ2Ffto&feature=youtu.be
জানা গিয়েছে নাটমন্দির থেকে যে পুকুরে প্রতিমা বিসর্জন হবে তার দূরত্ব মাত্র ৫০ মিটার। কিন্তু ভক্ত সমাগম সামলে সেই দূরত্বই যেতে লাগবে প্রায় দু'ঘণ্টা।
অন্যদিকে আগামীকাল অর্থাৎ একাদশীর দিন তিস্তার অন্রয প্রান্তের মানুষ মাতবেন একদিনের দুর্গাপূজায়। দেবী দুর্গা একাদশীর দিন ভান্ডানী রূপে পূজিত হবেন ময়নাগুড়ি এবং ডুয়ার্সে।