
শেষ আপডেট: 2 February 2021 16:05
কয়েকদিন আগেই ত্রিপুরার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব সরকারি মঞ্চ থেকে বলেছিলেন, বাংলা এবং ত্রিপুরা দুই রাজ্যেই বামেদের হঠিয়ে সরকার গড়ে উঠেছিল। কিন্তু দশ বছরে বাংলায় কিচ্ছু হয়নি আর ৩২ মাসের ত্রিপুরায় ‘বিকাশের’ অশ্বমেধ ছুটছে।
এদিন মানিকবাবু বলেন, তৃণমূলকে হারাতে হবে। কিন্তু তা বলে গরম কড়াই থেকে তপ্ত উনুনে ঝাঁপ দেবেন না। তাঁর কথায়, "ত্রিপুরাতেও বিজেপি ভিশন ডকুমেন্ট দেখিয়ে অনেক কথা বলেছিল। আজ ত্রিপুরার মানুষ বুঝতে পারছেন কী সর্বনাশ হয়েছে।"
পূর্ব বর্ধমানের জেলা সিপিএমের অভ্যন্তরীণ রসায়ণ বরাবরই কট্টর। জেলা কমিটির উদ্যোগে বড় কর্মসূচি হলেই প্রকাশ কারাট বা মানিক সরকারদের ডাকা হয় সেখানে। তাৎপর্যপূর্ণ হল, কলকাতায় এদিন যখন বাম-কংগ্রেস একসঙ্গে পেট্রপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধ অবস্থান করেছে, তখন বর্ধমানে একাই সভা করেছে সিপিএম। কংগ্রেসকে ডাকা হয়নি সেখানে।
আরামবাগেও এদিন নজরকাড়া মিছিল করে সিপিএম। তা আড়েবহরে এতো বড় ছিল যে দলের সুসময়েও এমন মিছিল শেষ কবে দেখা গেছে তা অনেকেই মনে করতে পারছেন না। ছাত্র-যুবদের অংশগ্রহণও বেশ ভাল। মিছিল শেষে সভায় বক্তৃতা করেন মহম্মদ সেলিম।
পরিবর্তনের পর আরামবাগ থেকে বহু কর্মী ঘর ছাড়া হয়ে যায় বলে অভিযোগ তুলেছিল সিপিএম। যদিও উনিশ সালে তৃণমূল ধাক্কা খাওয়ার পর আর কেউ ঘরছাড়া নেই। অনেকের মতে বাম ভোট যে রামে গেছে তা ভোটের হিসেবে স্পষ্ট। লোকসভার ফলাফলের পরের দিন দেখা গিয়েছিল গেরুয়া আবির মেখে দখল হয়ে যাওয়া পার্টি অফিস পুনর্দখল করতে শুরু করে সিপিএম।
কিন্তু একুশে কী হবে?
বর্ধমান ও আরামবাগে সিপিএমের বাক্সেই এই ভোট পড়বে তো? নাকি ভোটের পর ফের গেরুয়া আবির মেখে বন্ধ পার্টি অফিস খুলতে দেখা যাবে কমরেডদের!