দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে ভেঙে পড়ল ঘুর্ণীঝড় উমফানে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি। বুধবার বিকেলে উমফান রাজ্যে আছড়ে পড়ার এক সপ্তাহ পরে মঙ্গলবার বাড়িটি ভেঙে পড়ে। তবে এতে কেউ হতাহত হননি।
গলসির খেতুড়ায় মঙ্গলবার মাটির ওই বাড়িটি হঠাৎই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। চাপা পড়ে যায় সংসারের যাবতীয় জিনিসপত্র। তবে বাড়ি ভেঙে পড়ার কিছুক্ষণ আগে বাইরে বেরিয়ে আসায় ভাগ্যক্রমে কোনও আঘাত লাগেনি ওই ঘরের বাসিন্দা সাকিলা শেখের।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন কিছুদিন আগে উমফানের দাপটে বাড়িটির ভিত নড়ে গিয়েছিল। তখন থেকেই অন্যত্র থাকার জন্য বাসা খুঁজছিলেন সাকিলা শেখ। শেষ পযন্ত অবশ্য তাঁর বাসা জোগাড় হয়ে ওঠেনি। ঝড়ের এ সপ্তাহের মাথায় বাড়িটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে।
বাড়িটি ভেঙে পড়ায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করছেন সাকিলা। তাছাড়াও পাশের বাড়ির দু’টি মোটর সাইকেল ও একটি সাইকেলের বেশ ক্ষতি হয়েছে।
প্রতিবেশীরা জানান, সাকিলা শেখের ষোলো বছর ও উনিশ বছরের দুটি ছেলে আছে। তাঁরা কেরলে শ্রমিকের কাজে গিয়ে লকডাউনের জেরে আটকে আছেন। বর্তমানে খুবই দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন সাকিলা। এই অবস্থায় সরকারি সাহায্য না পেলে গাছতলায় বাস করতে হবে সাকিলাকে।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরী আশ্বাস দেন তাঁর বাড়ির ব্যবস্থা করা হবে।
এত ভালো হাসপাতাল যে বাঙুরের ছবি প্রকাশিত হতে মোবাইল নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। ২টাকা কেজি চাল কেন্দ্রের প্রকল্প। শিল্প নেই তাই বিদ্যুতের দরকার নেই। ২০০৯ সালের পরে একটা ঝড় হতেই বোঝা গেল ৭দিনেও বিদ্যুৎ দেওয়া গেল না।