দ্য ওয়াল ব্যুরো: হুগলির পোলবায় পুলকার দুর্ঘটনায় আহত স্কুল পড়ুয়া ঋষভ সিংয়ের অবস্থা অতি সংকটজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। তাকে এসএসকেএম হাসপাতালে কার্ডিওথোরাসিক ভাসকুলার সায়েন্স বিভাগে পূর্ণ ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে তার অবস্থার অবনতি হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
ঋষভের কিডনি, লিভার, ফুসফুস-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ঠিক মতো কাজ করছে না। দুপুরে ফের জরুরি ভিত্তিতে মেডিক্যাল বোর্ড আলোচনায় বসে। তার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ওঠা-নামা করছে। রক্তচাপ অস্বাভাবিক। ইউরিন পাস হচ্ছে না ঠিক ভাবে। রক্তের প্লেটলেট-সহ বিভিন্ন উপাদানের মাত্রা স্বাভাবিক নয়। ফের সিঙ্গেল ডোনার প্লেটলেট দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সব মিলিয়ে অতি সংকটজনক অবস্থায় রিষভ। তার অবস্থা স্বাভাবিক করতে মরিয়া চেষ্টা করে চলেছেন চিকিৎসকরা। এখন তাঁরা চিন্তায়।
অন্যদিকে গত চব্বিশ ঘণ্টায় দিব্যাংশের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। সে চোখ মেলেছে এবং আত্মীয়দের চিনতেও পেরেছে বলে সূত্রের খবর। যদিও কারও ব্যাপারেই চিকিৎসকরা কিছু জানাচ্ছেন না।
পুলকার দুর্ঘটনার সাত দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার রাতে থানায় আত্মসমর্পন করেছেন গাড়ির মালিক শামিম আখতার। ১৪ ফেব্রুয়ারি যে গাড়ি দুর্ঘটনায় পাঁচ জন স্কুল পড়ুয়া আহত হয় তিনি সেই গাড়িটির মালিক।
শ্রীরামপুর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শামিম। তাঁর বাড়িটি শেওড়াফুলি স্টেশনের কাছে চাতরা মুসলিমপাড়ায়। পোলবায় পুলকার দুর্ঘটনার পর থেকে পুলিশ তাঁকে খুঁজছিল। তিনি ওই গাড়িতে পড়ুয়াদের তুলেছিলেন। নির্দিষ্ট জায়গায় তিনি গাড়ির স্টিয়ারিং তুলে দেন পবিত্র দাস অন্য এক জনের হাতে।
রহিত কোলে নামে এক ব্যক্তির থেকে পুলকারটি কিনেছিলেন শামিম। তাঁর গাড়ির ফিটনেস যথাযথ ছিল না, স্পিড গভর্নর কাটা ছিল। পবিত্র দাস মূল অভিযুক্ত হলেও সহ-অভিযুক্ত হিসাবে পুলিশ তাঁকে খুঁজছিল।