'তোলাবাজ তো তুমি', ডায়মন্ডহারবারে অভিষেকের বক্তৃতার হাইলাইটস
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবারে জনসভা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা মঞ্চ থেকে বিজেপিকে নিশানা করলেন তিনি। তাঁর আক্রমণের নিশানায় অমিত শাহের সঙ্গেই ছিলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীও।
অভিষেকে
শেষ আপডেট: 27 December 2020 10:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবারে জনসভা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা মঞ্চ থেকে বিজেপিকে নিশানা করলেন তিনি। তাঁর আক্রমণের নিশানায় অমিত শাহের সঙ্গেই ছিলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীও।
অভিষেকের বক্তৃতার হাইলাইটস-
- যতদূর চোখ যাচ্ছে মানুষের ভিড়। আমাদের মাঠ ছোট হয়েছে। ২৯ নভেম্বর মুচিষায় মিটিং করেছিলাম। সেই মাঠও ভরে গিয়েছিল। আজকের কেল্লার মাঠে আমাদের জনসভা করতে হলে মিনিবাস ভরিয়ে কলকাতা থেকে লোক আনতে হয় না। ডায়মন্ডহারবার ১, ২ আর ফলতা থেকে লোক এসেছে। তাতেই সভা ভরে গেছে।
- ১০ তারিখে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ডায়মন্ডহারবারে সভা করতে এসেছিল। কী লোক হয়েছে তা মিডিয়ায় দেখায়নি। দেখিয়েছে হেনস্থা হয়েছিল। এই লাইটহাউস ময়দানে চা, মুরিওয়ালা, প্রেস মিডিয়া নিয়ে ৫০০ লোকও হয়নি। সেটা যাতে না তুলে ধরে তার জন্য হেনস্থার অভিযোগ করেছে।
- আপনারা শুনেছেন কোনও দিন ভিআইপি কনভয়ে মিনিবাস, ১৫০ মোটরসাইকেল থাকে। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মূল দুষ্কৃতী রাকেশ সিংকে নিয়ে এসেছিল কনভয়ে করে। কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির কারণে ক্ষোভ দেখাতে সাধারণ মানুষ সেখানে পৌঁছেছে। তাঁদের মধ্যে কেউ হয়তো পথ আটকেছিল। কেউ একটা ইঁট মেরেছে। আপনাদের অনুরোধ করব, যদি ক্ষোভ থাকে ইঁট মারবেন না, ইভিএমের মাধ্যমে জবাব দিন।
- আগে সাংসদ ভাতায় ৫ কোটি টাকা দিত। সেই টাকা দিয়ে টিউবওয়েল, রাস্তা বানাতাম। কোনও স্কুলকে দিতাম, অ্যাম্বুল্যান্স দিতাম। মার্চ মাস থেকে মোদী সরকার তা কেড়ে নিয়েছে। অথচ রাজ্যে বিধায়করা ৭৫ লাখ টাকা করে পাচ্ছে। এটাই মোদী, মমতার পার্থক্য।
- আমার মাইনে বন্ধ করে দিন। আমাদের মাইনে দরকার নেই। ৫ বছর বন্ধ করে দিন। মানুষের জন্য যে টাকা সেই টাকা কাড়ার অধিকার কে দিয়েছে। বাংলায় ৪২ জন সাংসদ। মানে বছরে ২২০ কোটি টাকার ফান্ড বন্ধ। ৫ বছরে ১২০০ কোটির ফান্ড বন্ধ। সেই টাকা মোদীবাবুর প্রচারে যাবে। উনি যখন বিদেশ সফরে যাবেন, তখন প্লেন কেনা হবে। তখন আর করোনা আসে না। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, যতদিন সাংসদ থাকব আমার টাকা কেটে নিন। মানুষের টাকা দিন। না দিলে এই লড়াই দিল্লির বুকে নিয়ে যাব। আমরা থেমে থাকব না।
- ফলতা মথুরাপুর জলের প্রজেক্ট ৫ বছর আগে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে শিলান্যাস হয়েছিল। আজ তা শেষের পথে। ডায়মন্ডহারবার ১ ব্লকে ১১টা, ২ ব্লকে ৮টা ও ফলতায় ১০টা রিজার্ভার বসেছে। ডায়মন্ডহারবার ১ ব্লকে ১১০০টা, ২ ব্লকে ৮০০টা ও ফলতায় ১০০০টা স্ট্যান্ড পোস্টের মাধ্যমে দু’মাসের মধ্যে জল পৌঁছে যাবে। আমি কথা দিয়ে গেলাম।
- এখন অনেকে পাল্টিবাজি করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে। আগে আমাকে আক্রমণ করত বিজেপির নেতারা। এখন নেতা কম পড়েছে। তাই তৃণমূল থেকে নেতা ভাঙিয়ে নিয়ে গিয়ে আক্রমণ করতে হচ্ছে। ২৯ তারিখের জনসভায় বলছিলাম ক্ষমতা থাকলে, বুকের পাটা থাকলে নাম নিয়ে আক্রমণ করুন। এক মাস হয়েছে। নাম নিতে পারেনি। আমি নাম ধরে বলেছি। বলেছি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয় ব্যাট দিয়ে পুরসভার আধিকারিকদের মেরেছিল। ও একজন গুন্ডা। কৈলাস বিজয়বর্গীয় একজন গুন্ডা। দিলীপ ঘোষ একজন গুন্ডা। ক্ষমতা থাকলে আটকান। দিলীপ ঘোষ আবার আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। যে পুঁতে দেব, জ্বালিয়ে দেব বলে সে আইনের পথ অবলম্বন করছে আমার পাল্লায় পড়ে। আমি খুশি। আইনত লড়াই হোক, কত ধানে কত চাল বুঝিয়ে দেব।
- কী বলছে না বাংলাকে মোদীর হাতে তুলে দিতে হবে। বাংলা কি আলু, পেয়াজ, টমাটো, না জয়নগরের মোয়া। এক বাপের ব্যাটা হলে ডায়মন্ডহারবার তুলে দেখা না। মোদী এসেছিল এখানে সভা করতে। লোক হয়নি। পালিয়ে গিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে সাতটার মধ্যে একটা বিধানসভা মোদীর হাতে তুলে দেখা না। ডায়মন্ডহারবার আর ভাইপো তো একটা দলকে ল্যাজেগোবরে করে দিয়েছে।
- নারদায় তো খবরের কাগজ মুড়ে তো তোমাকে টাকা নিতে দেখা গেছে। তোলাবাজ তো তুমি। আর বলছ তোলাবাজ ভাইপো হটাও। সারদায় তো তোমার নাম আছে। তোলাবাজ তো তুমি। বন্ধু আমার পিছনে সারদাও নেই, নারদাও নেই। সিবিআই আর ইডি লাগিয়ে কাঁচকলা করবে। যা ক্ষমতা আছে করে দেখাও। টিভির পর্দায় ঘুষ নিতে তোমাদের দেখা যাচ্ছে। ইডি, সিবিআইয়ের ভয়ে মেরুদন্ড বিক্রি করে বিজেপিতে তোমরা যাচ্ছ। আর বলছ তোলাবাজ ভাইপো হটাও। আপনাদের সাক্ষী রেখে বলে যাচ্ছি, আমি মৃত্যুবরণ করতে রাজি কিন্তু ডায়মন্ডহারবারের নাম কলুষিত হতে দেব না।
- আমার বিরুদ্ধে কোথাও যদি যোগসূত্র পাও বা প্রমাণ করতে পার ভাইপো তোলাবাজিতে যুক্ত, তাহলে ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স লাগাতে হবে না। ওসবে আমি ভয় পাই না। একটা ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করে দেবে, আমি নিজে গিয়ে মৃত্যুবরণ করব। চ্যালেঞ্জ করে গেলাম। ক্ষমতা থাকলে তদন্ত করুন। দেখান কোথায় ভাইপো যুক্ত। এত ভয় কীসের? নাম নিতে পারে না।
- খালি বাংলায় আসছে, খাচ্ছে, চলে যাচ্ছে। এরা খেতে খুব ভালবাসে। দিল্লিতে কৃষক আন্দোলন চলছে। তোমার পুলিশ যে ৩৫ জনকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। তাদের বাড়িতে যাওয়ার তো সাহস নেই। এদিকে রাজ্যে এসে আবার যাদের বাড়িতে খেতে যাচ্ছে তাদের কোনও অভাব, অভিযোগের কথা শুনছে না। ১০টা ক্যামেরা নিয়ে যাচ্ছে। সারাদিন সকাল থেকে রাত এই চালাচ্ছে। অমিত শাহ কী খাচ্ছে, কী করছে। অথচ দিল্লিতে এত বড় কৃষক আন্দোলন চলছে, কোনও খবরে আসছে না।
- মিডিয়াকে দোষ দিই না। চারটে নেগেটিভ খবর করলে হাউসের বিরুদ্ধে ইডি, সিবিআই লাগিয়ে দেয়। এই সময় স্বাধীনতা আন্দোলনের থেকেও ভয়ঙ্কর। শুনে রাখুন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আগের নির্বাচনে ৩১-০ ছিল। এবারও ৩১-০ করব। সেটা আমার দায়িত্ব।
- হঠাৎ করে এত প্রেম। অমিত শাহ আমার দাদা। তাহলে তোমার ভাইপো কে, অমিত শাহের ছেলে। ২০১৪ সাল থেকে অমিত শাহের থেকে যোগাযোগে রয়েছি। জানেন তো করোনায় ৮০ শতাংশ লোক উপসর্গহীন। আমাদের দলেও কিছু উপসর্গহীন বেইমান ছিল। তাদের আমরা চিহ্নিত করেছি।
- আমি একাধিক নির্বাচনের দায়িত্বে থেকেছি। ২০১৫ সালে বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার অবজার্ভার করার পরে প্রতিটা মিউনিসিপ্যালিটিতে জিতেছি। সৌমিত্র তো প্রকাশ্যে বলছে, ১৯ এর ভোটে ওকে শুভেন্দু জিতিয়েছে। বাকিটা ওর স্ত্রী এসে আমাকে বলে দিয়েছে। বলছে লজ্জা লাগে এই দল ২১ বছর করেছি। ওর বাবা, ভাই তো এখনও তৃণমূল করে। যে নিজের বাড়িতে পদ্ম ফোটাতে পারে না, সে এসেছে বাংলায় পদ্ম ফোটাতে।
- ক্রিকেট টিমে নন স্ট্রাইকার এন্ডে শচীন থাকলে ৯টা উইকেট পড়লেও অন্য দলের বুক দুরুদুরু করে। এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন নন স্ট্রাইকার এন্ডে। আমি অনেক আগে চেয়েছিলাম আমাদের দল ভাইরাস মুক্ত হোক। আপনারা কাকে দেখে ভোট দেন। বাংলার মানুষের সাথে যারা বেইমানি করেছে, ঈশ্বরচন্দ্রের মাটি কলুষিত করেছে, ঈশ্বরচন্দ্রের মূর্তি ভেঙেছে, সেই দলের সঙ্গে হাত মেলালে, বাংলার মানুষের সাথে ছেলেখেলা করলে, বিশ্বাসঘাতকদের জবাব দেবেন কিনা। চলবে না অন্যায়, টিকবে না ফন্দি, জনতার আদালতে হতে হবে বন্দি।
- যারা ভাবছেন বিজেপিতে গিয়ে পিঠ বাচিয়ে বাংলার মানুষকে বোকা বানাব তারা শুনুন, বাংলার মানুষ অত বোকা নয়। আমাদের দুয়ারে সরকার প্রকল্প চলছে, মুকুল রায়, দিলীপের ঘোষদের গায়ে জ্বালা হচ্ছে। এদের সহ্য হচ্ছে না। মোদী ২০১৬তে নোটবন্দি ঘোষণা করেছিল। সব ব্যাঙ্কের বাইরে ১-২ কিলোমিটার লম্বা লাইন। দুয়ারে সরকারেও লাইন পড়েছে। ওই লাইনে ছিল ভয়, আতঙ্ক, দম্ভ ও ঔধ্বত্য, আর এই লাইনে আছে ভরসা, আবেগ, ভালবাসা ও বিনম্রতা। জীবন কেড়েছিল মোদী সরকার, এখানে জীবন সুনিশ্চিত করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
- বলছে গরু পাচারকারী, কয়লা চোর ভাইপো। গরু পাচার কোথা থেকে হয়, সীমান্ত দিয়ে। দায়িত্বে কে থাকে, বিএসএফ। মাথার উপর কে আছে, অমিত শাহ। তাহলে কোন ভাইপো দায়ী। কোলিয়ারি কে রক্ষা করে, সিআইএসএফ। কার আন্ডারে রয়েছে, কোল মিনিস্ট্রি। দায়িত্বে কে, পীযুষ গোয়েল। কোন পার্টি, বিজেপি। রক্ষার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ কার আন্ডারে, অমিত শাহ। তাহলে কোন ভাইপো দায়ী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তো আমার কথায় চলে না। আমার কথায় সিআরপিএফ, সিআইএসএফ, বিএসএফ চললে তো অমিত শাহের লজ্জায় পদত্যাগ করা উচিত।
- গরু পাচারে বিএসএফের কমান্ডান্ট গ্রেফতার হয়েছে। কয়লা পাচারে ইসিএলের আধিকারিকরা গ্রেফতার হয়েছে। সবগুলোর দায়িত্বে তো অমিত শাহ। তার আধিকারিকরা আমার কথা শুনলে অমিত শাহের পদত্যাগ করা উচিত।
- আমার গলা কেটে দিলেও কাটা গলা থেকে মমতা ব্যানার্জি জিন্দাবাদ বেরাবে। আমি বেইমানি করতে পারব না। আমি ওপেন চ্যালেঞ্জ করছি। ক্ষমতা আছে পদ্ম ফোটাবেন। তৃণমূল থেকে চারটে খুচরো নেতা ভাঙালে কি তৃণমূল শেষ। তৃণমূল ঘাসফুলের দল। ঘাস যত কাটবে তত বাড়বে। আর পদ্মফুল চারদিন মাটিতে রাখলে শুকিয়ে যায়।
- লড়াইয়ের ময়দানে দেখা হবে। এই লড়াই আমরা জিতব, ডায়মন্ডহারবার জিতবে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জিতবে, নজরুল ইসলাম জিতবেন, রবীন্দ্রনাথ জিতবেন, সুভাষচন্দ্র বসু জিতবেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলছে বাংলায় বাঙালিদের অবদান নেই। বাঙালিরা না থাকলে বিবেকানন্দের মতো লোক খুঁজে পেতে না। সুভাষচন্দ্র না থাকলে আজাদ ইন্দ ফৌজ তৈরি করে ব্রিটিশদের ভিত নড়াবার মতো লোক খুঁজে পেতে না। ঈশ্বরচন্দ্র না থাকলে ছোট মেয়েদের ভবিষ্যৎ থাকত না। রামমোহন না থাকলে মেয়েদের চিতায় যেতে হত। মমতা না থাকলে ৩৪ বছরের স্তাবকতায়, বন্দুকের নলে বেচে থাকতে হত। বাংলাই কী তা আগামি দিনে জবাব দেব।
- মমতা বিজেপির হাত ধরেছিল, সেটা ছিল অটল বিহারীর বিজেপি। ২০০২ এর দাঙ্গার রক্ত তাতে ছিল না। মমতা কংগ্রেসের কাছ থেকে তিরঙ্গা কেড়ে নিয়েছিল। এটা আদর্শের লড়াই। ব্যক্তিকেন্দ্রিক হতে পারে না। এই নেতারাই তো ছ’মাস, এক বছর আগে বলেছে বিজেপি হটাও দেশ বাঁচাও, ২০১৯ বিজেপি ফিনিশ, বিজেপি অবাঙালিদের দল, বাংলার সংস্কৃতি জানে না। আর এখন বিজেপির দলে হাত মিলিয়ে বড় বড় কথা। মমতার নখের যোগ্য হতে গেলে সাতবার জন্ম নিতে হবে।
- ৫ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতা, সাদা শাড়ি, হাওয়াই চটি পরা, কালীঘাটে টালির চালে থাকা এক মহিলার বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবাইকে আসতে হচ্ছে। বাংলা গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ নয়। বাংলাকে হারানো এত সহজ নয়। আমার সঙ্গে তোমার তফাৎ মেরুদণ্ডে। তৃণমূল করতে গেলে বুকের দম লাগে। না থাকলে শাড়ি, চুরি পরে বাড়িতে ঢুকে যাও। বড় বড় কথা বলতে হবে না। আগামী দিনে মমতার ছবি ও জোড়া ফুলকে সামনে রেখে নেত্রী যাকেই প্রার্থী করবেন, ৩১টা কেন্দ্রেই জেতানোর দায়িত্ব আমাদের। আমনারা ডায়মন্ডহারবারকে ভোটের হিসেবে এক নম্বরে রাখবেন। উন্নয়নে এক নম্বরে রাখার দায়িত্ব আমার।