দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিক্ষকের পর বন সহায়ক।
নিয়োগ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে ফের অস্বস্তির মুখে পড়তে হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে।
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বনমন্ত্রী ছিলেন। কদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোলা মঞ্চেই বলেছেন, সেই নিয়োগে কারসাজি হয়েছে। তার পাল্টা জবাব দিয়েছেন রাজীব। বলেছেন, তৃণমূলের বীরভূমের কোন বড় নেতা নিয়োগের তালিকা নিয়ে হুমকি দিচ্ছিলেন, দিদি কীভাবে সব জেলার তৃণমূলকে কিছু কিছু করে ভাগ করে দিতে বলেছিলেন, কালীঘাট থেকে কী সুপারিশ এসেছিল তিনি জমিয়ে রেখেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন বনমন্ত্রী যখন এভাবেই খোলা মঞ্চে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বেআব্রু করে দিয়েছেন, তখন অনিয়ম নিয়ে সন্দেহের অবশেষ থাকে কি!
দেখা যায়, এর পরই চাকরি প্রার্থীরা স্যাটে মামলা করেন। কলকাতা হাইকোর্টেও মামলা করা হয়। এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারের কাছে হলফনামা চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। কীভাবে নিয়োগ করা হয়েছে, মেধা তালিকার কী অবস্থা ইত্যাদি বিশদে জানতে চাওয়া হয়েছে। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ ৪ মার্চের মধ্যে ওই হলফনামা পেশ করতে হবে।
২০০০ বন সহায়ক পদে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল।
এদিন হাইকোর্টের নির্দেশের পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, আমার ভেবে অবাক লাগে, একটা নিয়োগও স্বচ্ছতার সঙ্গে হইনি! তার মানে দাঁড়াল জেলার নেতাদের কিছু কিছু করে ভাগ করে দিতে বলেছে, আর জেলার নেতারা সেগুলো বেচে খেয়েছে। আমি চাইব গোটা প্যানেলই যেন বাতিল করে দেয় উচ্চ আদালত। যাতে পরবর্তী কালে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হতে পারে।
অন্যদিকে বিজেপি মুখপাত্র সায়ন্তন বসু বলেন, একবার প্যানেল বাতিল হয়ে গেলে ওদের নেতারা বাড়িতে থাকতে পারবেন না। যাঁরা টাকা দিয়েছিলেন, তারা টাকা চাইতে যাবেন। তার পর যা যা করার সব করবেন।