দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকাল ট্রেন চালু হয়েছে বেশ কিছুদিন হল। তবে ট্রেনে হকারদের ওঠার অনুমতি নেই। যাঁদের স্টেশন চত্বরে বা প্ল্যাটফর্মে দোকান ছিল তাঁরা ব্যবসা শুরু করেছেন ঠিকই, তবে বিক্রিবাটার হাল বেশ খারাপ। কেনাবেচা নেই, তাই লাভের মুখও দেখছেন না হকাররা। দুশ্চিন্তা আর অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে তাঁদের।
ক্যানিং স্টেশনে রয়েছেন ১২০ জন হকার। লকডাউনের দীর্ঘ সাত মাস অভাব-অনটনেই কাটিয়েছেন তাঁরা। তবে গত ১১ নভেম্বর থেকে লোকাল ট্রেন চালু হওয়ার পর খানিক স্বস্তি পেয়েছিলেন এই হকাররা। গত ১৮ নভেম্বর থেকে ক্যানিং ষ্টেশনের উপর নিজের দোকানপাট স্যানিটাইজ করে পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন তাঁরা। তবে নিউ নরমালে পরিস্থিতি যে আর আগের মতো নেই সেটা বুঝতে বেশি সময় লাগে ক্যানিং স্টেশনের হকার বলরাম দেবনাথ, সিকন্দর সাহানি, তারক দাসদের। স্টেশন চত্বরের হকারদের সকলেই বলছেন, "লকডাউন আর করোনার জেরে ব্যবসা লাটে উঠেছিল। কবে ট্রেন চালু হবে সেই আশায় ছিলাম। প্রায় আটমাসের মাথায় ট্রেন চালু হল বটে। কিন্তু ট্রেনে আগের মতো যাত্রী নেই। ফলে যাত্রীর সংখ্যা কমার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমেছে বিক্রি। দোকান সাজিয়ে বসেও লাভ হচ্ছে না। আগামী দিনে কবে সব ঠিকঠাক হবে সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছি।"
প্ল্যাটফর্মের হকাররা বলছেন, যাত্রী সংখ্যা কমার পাশাপাশি সতর্কতার খাতিরেও অনেকে বাইরের খাবার, চা-জল-বিস্কুট খাচ্ছেন না। তাই কমেছে বিক্রির পরিমাণ। তবে যাত্রীদের সচেতনতা দেখে হকাররা একটা ব্যাপারে আশাবাদী যে আগামী দিনে হয়তো সব সামাল দেওয়া যাবে। আবার আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠবে সবকিছু। তাঁদের ব্যবসাও লাভের মুখ দেখবে। আপাতত সুদিনের আশায় অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে।