দ্য ওয়াল ব্যুরো: ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হস্টেলে উদ্ধার হয়েছে এক জুনিয়ার ডাক্তারের দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম দিব্যেন্দু সরকার। গোসাবার বাসিন্দা দিব্যেন্দু বেনিয়াপুকুর রোডের হোস্টেলে থাকতেন। পাঁচতলায় ছিল দিব্যেন্দুর ঘর।
আজ, বুধবার সকালে বন্ধুরা তাঁকে বারবার ডেকেও সাড়া পায়নি। একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোন তোলেনি দিব্যেন্দু। বারবার দরজায় ধাক্কা দেওয়ার পর এবং অসংখ্যা বার ফোনের পরেও দিব্যেন্দুর সাড়া না পাওয়ায় সন্দেহ জাগে হস্টেলের বাকিদের মনে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে গোটা ঘটনাটি জানায় তারা। এরপর খবর দেওয়া হয় বেনিয়াপুকুর থানায়। হস্টেলে এসে দিব্যেন্দুর ঘরের দরজা ভাঙে পুলিশ। তারপরের দৃশ্য দেখে শিউরে ওঠেন সকলেই। বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হয় দিব্যেন্দুর ঝুলন্ত দেহ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আত্মহত্যা করেছেন ওই জুনিয়র ডাক্তার। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
কেন দিব্যেন্দু এমন আচমকা আত্মহত্যা করলেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে ইতিমধ্যেই। সহপাঠীর এ হেন রহস্যজনক মৃত্যুতে হতবাক হস্টেলের বাকি পড়ুয়ারাও। কোনও কারণে দিব্যেন্দু মানসিক অবসাদ বা হতাশায় ভুগছিলেন কিনা কিংবা তাঁর কোনও প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিনা এবং সেই সম্পর্কে কোনও সমস্যা ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হস্টেলের বাকি ছাত্রদেরও তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। যোগাযোগ করা হয়েছে মৃত ছাত্রের পরিবারের সঙ্গেও। ছেলের এমন পরিণতিতে স্বভাবতই ভেঙে পড়েছে পরিবারের সকলে। কেন দিব্যেন্দু এমন মারাত্মক সিদ্ধান্ত নিলেন তা জানতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথাবার্তা বলছে পুলিশ।