শেষ আপডেট: 26 July 2019 12:32
অবশ্য সরকারের তরফে এই ঘোষণার পরেও এই ব্যাপারে এখনও কোনও বিবৃতি দেননি অনশনরত শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁদের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁরা নির্দেশের কপি পেয়েছেন। নিজেদের মধ্যে আলোচনার পরেই এই বিষয়ে বিবৃতি দেবেন তাঁরা। সরকারের এই নির্দেশের পরে তাঁরা অনশন তুলে নেবেন কিনা, সে ব্যাপারেও এখনও কিছু জানানো হয়নি।
এনসিটিই-র নতুন নির্দেশ মতো রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা মানা হলেও সেই অনুসারে উপযুক্ত বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষকদের। আন্দোলনকারীদের দাবি, যেখানে সারা ভারতের সমস্ত রাজ্যে গ্রেড পে ৪,২০০ টাকা, সেখানে এ রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের গ্রেড পে ২,৬০০ টাকা। এই বৈষম্যের প্রতিবাদে আন্দোলনে সামিল হন তাঁরা। তাঁদের আরও অভিযোগ, বেআইনিভাবে ১৪জন শিক্ষককে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশিকাতেও বদল আনতে হবে।
বিধাননগরে গত প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে অনশন আন্দোলন চালাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। তাদের সংগঠনের দীর্ঘদিনের দাবি, রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের সর্বভারতীয় হারে বেতন দিতে হবে। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে দেখা করে মৌখিক আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও তাঁরা আন্দোলন থামাননি। বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের পরেও আন্দোলন চালু রেখেছেন তাঁরা। এ বার দেখার বেতন বৃদ্ধির নির্দেশিকা জারির পর তাঁরা কী সিদ্ধান্ত নেন।