দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে দেশজোড়া লকডাউনের মধ্যে নিয়ামাতপুর এলাকায় নিয়মিত চলছে জুয়ার আসর। অভিযোগ তেমনই। যদিও এনিয়ে এখনও পুলিশ নির্বিকার বলে জানাচ্ছেন এলাকার লোকজন।
সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে বেরলে তাকে গ্রেফতার পর্যন্ত করা হতে পারে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য বা ওষুধ কিনতে কেউ বেরলে মাস্ক পরা আবশ্যিক এবং সামাজিক দূরত্বও বজায় রাখতে হবে। সরকারি এই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বাজার ভিড় তো লেগেই আছে এখন জুয়াও শুরু হয়েছে। লকডাউন মানা হচ্ছে কিনা দেখতে পুলিশ হটল দিচ্ছে ঠিকই কিন্তু গলির ভিতরে দিব্যি চলছে মদের আসর ও জুয়ার ঠেক। নিয়ামতপুর এলাকায় প্রধান রাস্তা থেকে একটু ভেতরে ঢুকলেই দেখা যাচ্ছে মাঠের মধ্যে রমরমিয়ে চলছে জুয়ার আসর যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কোনও ব্যাপারই নেই। কোথা থেকে তারা মদ পাচ্ছে এই লকডাউনের মধ্যেও সেকথাও কেউ জানে না। অভিযোগ, সব জেনেও পুলিশ নির্বিকার।
আসানসোল কমিশনারেটের ডিসি (পশ্চিম) অনিমিত্র দাস পুরো ঘটনার কথা শুনে একটি মাত্র শব্দ ‘দেখছি’ বলে ফোন কেটে দেন। এনিয়ে তিনি কড়া কোনও পদক্ষেপের কথা পর্যন্ত বলেননি সংবাদমাধ্যমেক কাছে।
এলাকার লোকজন বলছেন যে এই ঘটনার কথা সকলে জানলেও পুলিশ কেন জানতে পারছে না সেটা ভেবেই তাঁরা আশ্চর্য হচ্ছেন। তবে লকডাউনের মধ্যে এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রে এলাকার লোকজন একজোট হয়ে প্রতিবাদও করেছেন। তবে দুষ্কৃতীদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকতে পারে এই আশঙ্কায় অনেতে প্রতিবাদের রাস্তায় হাঁটতে চান না। একে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তার উপরে দুষ্কৃতীদের অবাধ চলাফেরায় শঙ্কিত এলাকার লোকজন।