দ্য ওয়াল ব্যুরো: বনগাঁ, হালিশহরের পর কি এ বার নৈহাটি পুরসভা পুনর্দখলের পথে তৃণমূল? বিজেপি-তে যোগ দেওয়া চার কাউন্সিলরের হঠাৎ ‘নিখোঁজ’ হয়ে যাওয়া সেই প্রশ্নই উস্কে দিচ্ছে।
গত বুধবার থেকে বাড়িতে নেই নৈহাটির চার কাউন্সিলর বেলা বিশ্বাস, অঞ্জনা সেনগুপ্ত, রুবি চট্টোপাধ্যায়, রীনা সুতার। এই চার জনই তৃণমূলের টিকিটে জিতে মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। আর এই চার মহিলা কাউন্সিলরের হঠাৎ বেপাত্তা হওয়ায় অনেকেই অন্য গন্ধ পাচ্ছেন। একটি বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, সমুদ্র তীরে ছুটি কাটাচ্ছেন এই চারজন। দু’ভাগে ভাগ হয়ে তাজপুর ও বকখালিতে রয়েছেন তাঁরা। যদিও এই চারজনের কারও সঙ্গেই যোগাযোগ করা যায়নি।
নৈহাটির সমীকরণটা কেমন?
এই পুরসভার মোট ওয়ার্ড ৩১। গত পুরভোটে সবকটি ওয়ার্ডেই জিতেছিল তৃণমূল। কিন্তু গতমাসে ১৮ জন কাউন্সিলর যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। অনাস্থা প্রক্রিয়া শুরু করতেই রাজ্য সরকার দুম করে প্রশাসক বসিয়ে দেয় নৈহাটি পুরসভায়। তা নিয়ে হাইকোর্টে গিয়েছেন ওই কাউন্সিলররা। সে মামলা এখনও হাইকোর্টে ঝুলে রয়েছে। এর মধ্যেই চার কাউন্সিলরের উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা ভাবাচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পর তৃণমূলের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩। এখন যদি আবার ৪ জন ফিরে আসেন, তাহলে ম্যাজিক নম্বর পেয়ে যাবে তৃণমূল।
ইতিমধ্যেই রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছেন, নৈহাটির বোর্ড বিজেপি-র দখলে যায়নি। তৃণমূলেরই থাকবে।” ফলে যতক্ষণ না ওই কাউন্সিলরদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে, ততক্ষণ স্পষ্ট হবে না নৈহাটির অঙ্ক।