শেষ আপডেট: 5 February 2020 11:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক কলেজ ছাত্রীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাঁর একান্ত গোপনীয় ও নগ্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িযে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুই যুবকের বিরুদ্ধে। ওই দুই যুবকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি করার অভিযোগও উঠেছে।
এই ঘটনায় মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের ওই তরুণী মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্ত দুই যুবকই পলাতক।
হরিশ্চন্দ্রপুরের বাসিন্দা তথা কলা বিভাগের ওই কলেজ ছাত্রীর অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর বাজার এলাকার এক যুবক তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে একান্ত গোপনীয় ছবি নিয়ে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করার পাশাপাশি যৌন নিগ্রহও করে তবে সেই যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে ছাত্রীটি অস্বীকার করে। তাতেই ওই যুবক হরিশ্চন্দ্রপুর বাজার এলাকার আরও এক যুবকের সঙ্গে এক জোট হয়ে ছাত্রীটির বিভিন্ন নগ্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ।
মাস দেড়েক আগেই ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। দিন বারো আগে এব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেনি।
মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় ওই ছাত্রী যে অভিযোগ করেছেন তার ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। দ্রুত অভিযুক্তকে ধরা হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কলেজ ছাত্রীটির সঙ্গে তাদের পাড়ারই ২৯ বছরের এক জনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তবে পরে তাঁদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। তখন অন্য একজনের সঙ্গে ওই ছাত্রীর সম্পর্ক তৈরি হয়। তা থেকেই বিবাদ এবং অভিযুক্ত যুবক ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেয়।
এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে অভিযোগকারী ছাত্রী ও ওই যুবক – উভয়ের পরিবারই এলাকায় বিত্তশালী বলে পরিচিত। ছাত্রীটিকে অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে বারণ করেছিল অভিযুক্ত যুবক কিন্তু ছাত্রীটি কথা না শোনাতেই সে এই ঘটনা ঘটায়।
পুলিশে অভিযোগ করার পরে প্রায দু’সপ্তাহ কাটতে চলল অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি, তাতে হতাশ ছাত্রীটি। এব্যাপারে দুই পরিবারের কেউই কোনও মন্তব্য করেননি।