শ্বশুরের নাকে জামাইয়ের কামড়, রক্তারক্তি আরামবাগে
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: পারিবারিক অশান্তি থেকে রক্তারক্তি কাণ্ড। শ্বশুরের নাক কামড়ে মাংস তুলে নিল জামাই। মারল স্ত্রীকেও। দু’জনকেই ভর্তি করা হল হাসপাতালে। জামাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পরিবার ছুটল থানায়। রবিবার এই ঘটনা ঘটেছে হুগলির আরামবাগের
শেষ আপডেট: 8 December 2019 14:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: পারিবারিক অশান্তি থেকে রক্তারক্তি কাণ্ড। শ্বশুরের নাক কামড়ে মাংস তুলে নিল জামাই। মারল স্ত্রীকেও। দু’জনকেই ভর্তি করা হল হাসপাতালে। জামাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পরিবার ছুটল থানায়। রবিবার এই ঘটনা ঘটেছে হুগলির আরামবাগের পারুল এলাকায়। জখম শ্বশুর বিকাশরঞ্জন বেরাকে ভর্তি করা হয়েছে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে।
জানা গিয়েছে ঘটনার সূত্রপাত কয়েকদিন আগে। পারিবারিক একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খানাকুলে গিয়েছিলেন জামাই সাহেব দাস, তার স্ত্রী মৌ দাস এবং শ্বশুর-শাশুড়ি। সেখানেই মদ্যপ অবস্থায় অন্য একজনের সঙ্গে স্ত্রীকে নাচার জন্য জোর করেন সাহেব। কথা কাটাকাটি হয় স্বামী-স্ত্রীর। লোকজনের সামনেই স্ত্রী কষিয়ে স্বামীর গালে থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ। এরপর স্ত্রী এবং সন্তানকে বাপের বাড়ি দিয়ে আসে সাহেব।

এদিন নিজের মেয়েকে শ্বশুর বাড়ি দিয়ে আসতে যান বিকাশবাবুর স্ত্রী। তাঁরা পৌঁছতেই শুরু হয় বচসা। অভিযোগ, স্ত্রীকে বেধড়ক পেটাতে থাকে সাহেব। ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় শাশুড়িকেও। এরপর খবর পেয়ে সেখানে যান বিকাশবাবু। তখনই তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নাকে কামড় দেন জামাই। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রতিবেশীরাই হাসপাতালে নিয়ে যান বিকাশবাবুকে। বিকাশবাবুর মেয়ে তথা সাহেবের স্ত্রীও স্বামীর মারে জখম হয়েছেন। তাঁকেও হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
এই ঘটনার পর আরামবাগ থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন শাশুড়ি। যদিও জামাইয়ের দাবি, তিনি কিছুই করেননি। শ্বশুর-শাশুড়িই তাঁর বাড়িতে এসে হামলা চালিয়েছে। আরামবাগ থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ দায়ের হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।